মুম্বই: আইএল অ্যান্ড এফএসের অনিয়ম খুঁজে বার করতে এবার পুরোদস্তুর তদন্তে নামল কেন্দ্রীয় কোম্পানি বিষয়ক মন্ত্রকের অধীন সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন অফিস (এসএফআইও)। পাশাপাশি পদচ্যুত ডিরেক্টরদের দেশের বাইরে যাতে চলে যেতে না পারে তারজন্য তড়িঘড়ি সক্রিয় হয়েছে। যেহেতু ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিক সঙ্কটের এহেন অবস্থায় যাওয়ার আগে কেন কর্তারা আগেভাগে সতর্ক হলেন না?

ইতিমধ্যেই জাতীয় কোম্পানি আইন ট্রাইবুনাল (এনসিএলটি) সায় দেওয়ায় পরিকাঠামো ক্ষেত্রে ঋণদাতা সংস্থা আইএল অ্যান্ড এফএসকে ঘুরো দাঁড়াতে সরকার পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে সোমবারে। নতুন পর্ষদে মনোনীত ছয় সদস্যকে বসান হয়েছে। নতুন পর্ষদকেও বার্তা দেওয়া হয়েছে, সংস্থার সঙ্কটের কারণ খতিয়ে দেখতে। তাছাড়া চার প্রাক্তন শীর্ষ কর্তা বি পার্থসারথি, হরি শঙ্করন, রমেশ বাওয়া ও কে রামচাঁদের বিরুদ্ধে ‘লুকআউট নোটিস’ জারি হয়েছে। এ বার তাঁদের পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করার জন্যও আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে সরকার।

বিভিন্ন মহলের অভিমত, ভোটের মুখে দাঁড়িয়ে আর কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না মোদী সরকার তাই আইএল অ্যান্ড এফএস নিয়ে হঠাৎ তৎপরতা বাড়িয়েছে। বিশেষত মোদী জমানায় ঋণ খেলাপি বিজয় মাল্য অথবা ব্যাংক প্রতারণার কাণ্ডে অভিযুক্ত নীরব মোদী, মেহুল চোক্সীদের দেশ ছাড়া নিয়ে বিরোধীদের তোপের মুখে পড়েছে শাসকগোষ্ঠী। তাছাড়া মদতের অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে আইএল অ্যান্ড এফএসের বিরুদ্ধে।

অর্থ ও কোম্পানি বিষয়ক মন্ত্রকের সূত্র অনুসারে তদন্ত হবে সময় থাকতে কেন সাবধান করা হয়নি। এজন্য গোষ্ঠীর ১৬৯টি সংস্থাতেই তদন্ত চালানো হবে। মঙ্গলবার মুম্বইয়ে সংস্থার দফতরে হানা দিয়ে বেশ কিছু কম্পিউটার ও সার্ভার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে বহু নথি।

কোম্পানি বিষয়ক মন্ত্রকের বক্তব্য, সংস্থার দাবি এবং প্রকৃত আর্থিক অবস্থা, আয়, সম্পদের হিসেবে ফারাক ধরা পড়েছে। সামঞ্জস্যের অভাব ছিল শেয়ার মূলধনের সঙ্গে ঋণেরও। শেয়ার মূলধনের তুলনায় ঋণের অনুপাত যা হওয়া উচিত, বাস্তবে ছিল তার থেকে অনেক বেশি।এরফলে সংস্থাটি ঋণের জালে জড়িয়েছে আইএল অ্যান্ড এফএস। যদিও সংস্থার ম্যানেজমেন্ট গোটা বিষয়টিকে ধামাচাপা দিচ্ছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।