কলকাতা: স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগের নিয়মে বড় পরিবর্তন৷ WBSSC পরীক্ষা থেকে উঠে যাচ্ছে মৌখিক পরীক্ষা৷ থাকবে না কোনও কাউন্সিলংও৷

কমিশন সূত্রে খবর, এবার স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ সহজ সরল করা হচ্ছে৷ আনা হচ্ছে বড় পরিবর্তন৷ শুধুমাত্র লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমেই নিয়োগ করা হবে শিক্ষক শিক্ষিকাদের৷ চাকরি প্রার্থীদেরকে আর কোনও মৌখিক পরীক্ষা দিতে হবে না৷ উঠে যাচ্ছে কাউন্সেলিং ব্যবস্থাও৷ তাছাড়া যে কোনও শ্রেণিতে নিয়োগের পরীক্ষার জন্য একবার আবেদন করলেই হবে৷ এর ফলে এবার খুব কম সময়ের মধ্যেই শিক্ষক শিক্ষিকাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হবে৷

বিগত দিনে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে কমিশনে অসংখ্য অভিযোগ করেছেন প্রার্থীরা৷ নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে বার বার সরব হয়েছেন তারা৷ এমনকি রাস্তায় নেমে আন্দোলনেও করেন প্রার্থীদের একাংশ৷ অভিযোগ, ২০১৬ সালে তাঁরা পরীক্ষা দিয়েছিলেন। লিখিত পরীক্ষায় পাশ করার পর দীর্ঘ প্রায় ৩ বছর ধরে ধাপে ধাপে তাঁরা এখন চতুর্থ কাউন্সেলিং পর্যন্ত পৌঁছেছেন।

এছাড়া মেধা তালিকায় র‍্যাঙ্কের অবনমন ঘটছে বলে অভিযোগে সরব হন একাংশ চাকরিপ্রার্থী। তালিকায় নামের র‍্যাঙ্কের হেরফেরের বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছে কমিশন। কেউ ছিলেন মেধা তালিকার ১০৩ নম্বরে, হঠাৎ করেই কয়েকদিন পর তিনি দেখলেন, ধাপ তিনেক পিছিয়ে দিয়ে তার র‍্যাঙ্ক ১০৬-নম্বর করে দেওয়া হয়েছে। যাঁর নাম ছিল ১১০, তাঁর অবনমন ঘটেছে ১১৩। এই র‌্যাঙ্ক বিভ্রাট ঘটেছে নবম ও দশম শ্রেণির ইতিহাসের শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগের মে‌ধা তালিকায়। ঘটনায় স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলছেন তাঁরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।