ঢাকা: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারবর্গের হত্যাকারী সাজাপ্রাপ্ত বিদেশে পলাতক ৬ আসামির বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করেছে৷ এমনই জানিয়ে দিল বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক৷ বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এই তথ্য জানান।

১৯৭৫ সালের ১৫ অগস্ট সকালে বাংলাদেশের সেনা কর্মকর্তাদের একাংশ বিদ্রোহ ঘোষণা করে৷ তারা ট্যাঙ্ক দিয়ে রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমণ্ডির বাসভবন ঘিরে ফেলে৷ এরপর গুলি করে খুন করা হয় শেখ মুজিব, তাঁর পরিবার এবং তাঁর ব্যক্তিগত কর্মচারীদের ৷ ঘটনার দিন পশ্চিম জার্মানিতে থাকায় সেই হামলা থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা৷

যাদের বিরুদ্ধে রেড করনার নোটিশ জারি হয়েছে তারা হলেন, লে. কর্নেল (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) এ এম রাশেদ চৌধুরী, লে. কর্নেল (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী, লে. কর্নেল (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) শরিফুল হক ডালিম, লে. কর্নেল (বরখাস্ত) আব্দুর রশীদ, লে. (বাধ্যতামূলক অবসর প্রাপ্ত) আবদুল মাজেদ, রিসালদার (অব:) খান মোসলেমউদ্দিন।

এদের মধ্যে এ এম রাশেদ চৌধুরীর অবস্থান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এবং নূর চৌধুরীর অবস্থান কানাডাতে সনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের আইনি জটিলতার কারণে বঙ্গবন্ধু খুনিদের ফেরত আনতে বিলম্ব হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, মুজিবুর রহমান খুনে জড়িতদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি ত্বরান্বিত করতে বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই খুনের মামলায় পলাতক অন্যান্য আসামিদের অবস্থান নিশ্চিত করতে ইন্টারপোল সদস্যভুক্ত দেশসমুহের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার৷

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইন্টারপোলের মাধ্যমে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাজাপ্রাপ্ত খুনিদের ছবি সংবলিত তথ্য পাঠিয়ে তাদের অবস্থান চিহ্নিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.