নয়াদিল্লি: কৃষক-পুলিশ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র রাজধানী দিল্লি৷ প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষক বিক্ষোভের আঁচ লাগল লালকেল্লার আভিজাত্যেও৷ ওড়ানো হল কৃষক আন্দোলনের পতাকা৷ দিল্লিতে দফায় দফায় সংঘর্ষের জেরে ১২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল ইন্টারনেট পরিষেবা৷

অন্যদিকে, এদিন পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধে মৃত্যু হল এক কৃষকের৷ খণ্ডযুদ্ধ চলাকালীন ট্র্যাক্টরটি উল্টে ওই কৃষকদের মৃত্যু হয় বলে খবর৷

এএনআই-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, হাজাকর হাজাক বিদ্রোহী কৃষক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে দিল্লির বিভিন্ন অংশে ও সংলগ্ন এলাকায় সাময়িক ভাবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ অন্যদিকে, ট্রাক্টর উল্টে মৃত্যু হয় একজনের৷

তবে কৃষকদের অভিযোগ, দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে ঢোকার মুখে আন্দোলনকারীদের বাঁধা দিতে গুলি চালায় পুলিশ৷ গুলি লেগেই ট্রাক্টরটি উল্টে যায়৷ ট্রাক্টরের নীচে চাপা পড়েই মৃত্যু হয় ওই কৃষকের৷ তবে তাঁর নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি৷ এদিন পুলিশ সিঙ্ঘু, তিকরি এবং ঘাজিপুর সীমান্তে আন্দোলনরত কৃষকদের নির্দিষ্ট রুট ধরে ট্রাক্টর ব়্যালি করার অনুমতি দিলেও সংঘর্ষ এড়ানো যায়নি৷

রাজপথে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ শেষ হতেই শুরু হয় বিক্ষোভ৷ কথা ছিল কৃষকরা দিল্লির সীমান্তবর্তী অঞ্চলেই থাকবে, দিল্লির দিকে অগ্রসর হবে না৷ কিন্তু সেই কথা রাখা হয়নি৷ তাঁরা ব্যারিকেড ভেঙে লালকেল্লার ভিতরে ঢুকে পড়ে৷ লালকেল্লায় ওড়ানো হয় কৃষক আন্দোলনের পতাকা৷

এদিকে, অতি গুরুত্বপূর্ণ আইটিও এলাকায় পুলিশকে কোনঠাসা করে এগিয়ে আসে বিক্ষোভকারীদের একাংশ৷ বাধা দিলে শুরু হয় হাতাহাতি। এক পর্যায়ে কৃষকরা ট্রাক্টর নিয়ে তেড়ে আসেন।

শুরু হয় পাথর বৃষ্টি। আইটিও দিল্লির পুলিশ সদর দফতর। ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বন্ধ করা হয় ইন্টারনেট পরিষেবা৷ সরকারের তরফে জানানো হয়, পরবর্তী নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকবে৷

প্রতিবাদী কৃষকদের মিছিল রুখতে এদিন চাঠিচার্জ করে পুলিশ৷ ছোঁড়া হয় জল কামান, কাঁদানে গ্যাস৷ আবার পুলিশকে পাল্টা অস্ত্র প্রদর্শন করে কয়েকজন কৃষক৷ সব মিলিয়ে রণক্ষেত্রের রূপ নেয় রাজধানী দিল্লি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।