নয়াদিল্লি: টেলিকম সংস্থাগুলি আগেই জানিয়েছিল যে ডিসেম্বর থেকে ট্যারিফ বাড়াতে চলেছে তারা। জিও, এয়ারটেল, ভোডাফোন- তিন সংস্থাই একথা জানিয়েছিল। ১ ডিসেম্বর থেকেই কার্যকর হতে চলেছে সেই ট্যারিফ।

জানা গিয়ছে, ১ ডিসেম্বর থেকে মোবাইল ফোন উপভোক্তাদের কলিং পরিষেবার পাশাপাশি ইন্টারনেট পরিষেবারও দাম বাড়তে চলেছে। ১৪ বছরের পুরনো এজিএর মামলায় সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের পর টেলিকম সংস্থাগুলির উপর ঋণের চাপ বেড়ে গিয়েছে ৷ এর জন্য সংস্থাগুলি ট্যারিফ প্ল্যান রেট বাড়ানোর সিদ্ধন্ত নিয়েছে ৷

পয়লা ডিসেম্বর থেকে ফোন কথা বলতে লাগবে বাড়তি চার্জ৷ ট্যারিফ প্ল্যান বাড়াতে চলেছে এয়ারটেল, ভোডাফোন ও আইডিয়া ৷ এজিআর এর বকেয়া টাকা মেটানোর জন্য দুই সংস্থার তরফে এই সিদ্ধন্ত নেওয়া হয়েছে ৷ তবে সংস্থার তরফে এখনও জানানো হয়নি মোবাইল ট্যারিফ ঠিক কতটা বাড়ানো হবে ৷

Money Control এর রিপোর্ট অনুযায়ী, টেলিকম সংস্থা তাদের মোবাইল ট্যারিফ ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে পারে ৷ রিপোর্ট অনুযায়ী, এয়ারটেলের ১০০ টাকার রিচার্জ ১৩৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে হতে পারে ৷ অনেকে মনে করছেন রিচার্জের টাকা না বাড়িয়ে কিছু পরিষেবা ভয়েস কল, এসএমএস বা ডেটা পরিষেবা কমিয়ে দিতে পারে৷
ভোডাফোনের তরফে অবশ্য জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে তারা ট্যারিফ বাড়াতে চলেছে যা ১ ডিসেম্বর থেকে লাগু করা হবে ৷

কিছুদিন আগেই একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ভোডাফোন সব কিছু গোছ গাছ করে নিয়ে যে কোনও দিনই চলে যেতে পারে৷ এর কারণ হল সংস্থার ক্ষতি ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়া এবং টেলিকম ক্ষেত্রে বাজারে এই সংস্থার অংশ কমে যাওয়ায়৷ এই দুটি কারণে ভোডাফোন আইডিয়ার ব্যালান্স শিটে প্রভাব পড়ছে এবং এই সংস্থাটি কোনও তহবিল তোলার ক্ষেত্রে বাধা পাচ্ছে ৷ এদিকে প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ গ্রাহক কমে যাচ্ছে এই সংস্থার৷

এরপরই এই টেলিকম সংস্থার তরফে বলা হয়, ভোডাফোন সাময়িক ভাবে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন ঠিকই, তবে সে জন্য ঋণ কমানোর কোনও আবেদন কারও কাছে তারা করেনি। আর ভারত থেকে ব্যবসা বন্ধের রাস্তাতেও তারা হাঁটছে না বলে জানানো হয়।