নয়াদিল্লি : ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবস। সেই ১৯০৯ সাল থেকে এই দিনটি পালিত হয়ে আসছে। তবে প্রথম দিকে ফেব্রুয়ারি মাসে বিশ্ব নারী দিবস পালন করা হলেও পরবর্তীকালে তা ৮ মার্চে পালিত হয়ে আসছে। তবে বছরের অন্যান্য দিনগুলির তুলনায় এই বিশেষ দিনে নারীরা একটু বেশি সম্মান পেয়ে থাকেন।

যদিও ঘরে বাইরে পুরুষদের তুলনায় মহিলারা কোনও অংশে কম নয়। শুধু গৃহবধূর তকমা ঘুচিয়ে আজকের যুগের নারীরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত। কর্মক্ষেত্রে পুরুষদের সমকক্ষ বা তার থেকেও বেশি কিছু। তবুও কোথাও যেন আজও সেই অলিখিত নিয়মের বেড়াজালে বদ্ধ নারীরা। যতই দেশের সংবিধান বা আইনে নারীকে সমান অধিকারের মর্যাদা দেওয়া হোক না একটু চোখ কান খোলা রাখলে আজও শোনা যায় নারীদের অবহেলা বঞ্চনার কথা। বাইরের জগতে বা কাজের দুনিয়ায় মেয়েরা একশো শতাংশ সফল হলেও আজও তাঁদের বাঁকা চোখে দেখেন কেউ কেউ। আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েও অনেকেই নিতে পারেন না মহিলাদের এই জয়কে।

তবে সেসবের তোয়াক্কা না করে ঘরে বাইরে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন এই নারীরা। যদিও আজকের যুগে পুরুষরাও ঘরের কাজে স্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলান। তবুও যেন কোথাও একটা খামতি থেকেই যায়। কথায় বলে মা ছাড়া বাড়ি অন্ধকার। ঠিক তেমনই নারীদের অবদান ছাড়া কোনও কাজ সফল হতে পারে না। তাইতো নারীদের মর্যাদা দিতে এই দিনে সারা দেশ বিদেশে কত অনুষ্ঠান, প্রতিযোগীতা, শো অনুষ্ঠিত হয়। সারা পৃথিবীর কাছে তুলে ধরা হয় ঘরে বাইরে নারীদের অবদান। তবে এই একদিন ঘটা করে নারী দিবস পালন করলাম আর বাকি দিনগুলি তাঁদের হেলাচ্ছেদ্দা করলাম তা কিন্তু চলবে না।

ঘরে বাইরে পুরুষের যেমন নারীদের সম্মান করা কর্তব্য বা উচিত তেমনই শুধু অন্যের জন্য সারাদিন হাড়ভাঙ্গা খাটুনি না করে নিজের জন্য একটু সময় বের করে নিজের দিকে একটু তাকানোরও দরকার আছে নারীদের। সারাদিন কাজ করে গেলাম নিজের শরীরের প্রতি যত্ন না নিয়ে ভবিষ্যতে বড় কোনও সমস্যায় পড়ার আগে আজ থেকেই সতর্ক হোন। ঘর হোক বা অফিস ঝটপট কাজ সেরে নিজের শরীরের যত্ন নিন। স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খান, শরীরচর্চা করুন। দেখবেন ভিতর থেকে ফিট থাকবেন আপনি।

আর এই নারী দিবসে শপথ করুন যে এবার থেকে রুটিন মেনে কাজকর্ম করবেন। নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি অবহেলা করবেন না। মেনে চলুন হেলদি ডায়েট দেখবেন রোগব্যাধি থাকবে দূরে। এনার্জিতে ভরপুর থাকবে জীবন।

তবে সুস্থ থাকতে যে টিপস গুলি মেনে চলা জরুরি তা হল…

1 সময়ের খাবার সময়ে খান। যখন তখন চা পান না করে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন প্রোটিন, ভিটামিন, ফ্যাট, মিনারেল এবং ক্যালশিয়াম যুক্ত খাবার।

2. মহিলাদের যেহেতু সারাদিনই কমবেশি ঘরে বাইরের সবকাজই করতে হয়। বিশেষ করে ওয়ার্কিং ওম্যান হলে তো কোনও কথায় নেই। তাইতো প্রতিদিনের খাবারে ডাল, সবুজ শাকসবজি এবং তাজা ফল, ডিম দুধ রাখা উচিত।

3. সবসময় কাজ করা, সিঁড়ি দিয়ে নামা ওঠা করার ফলে হাঁটু ব্যথা বা হাড়ের ব্যথা যন্ত্রণা বাড়ে। এই ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ক্যালশিয়াম যুক্ত খাবার খাওয়া উচিত। ভিটামিন ডি রয়েছে এমন খাদ্য ডায়েটে রাখা জরুরি।

4.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়া উচিত। প্রতিদিন একটা করে লেবু খাওয়া মহিলাদের স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী।

5. ডায়েটে থাকুক ডিম, দুধ, মাছ, মাংস, সয়াবীন, মধু জাতীয় খাবার। এছাড়াও প্রচুর প্রোটিন জাতীয় খাবার হিসেবে দই, ছানা, পনির এগুলো খেতে পারেন।

6. তবে শুধু খাবার খেলেই হবে না। নিয়মিত শরীরচর্চা এবং প্রচুর পরিমাণে জল পান করা উচিত। তাহলেই না আপনি ফিট থাকবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।