বেঙ্গালুরু: ঝাঁ চকচকে শহরের মাঝেই চলছিল মধুচক্র। হাতেনাতে ধরল পুলিশ। যেমন তেমন চক্র নয়, একেবারে আন্তর্জাতিক স্তরের মধুচক্র এবং পাচারের কাজকর্ম চলছিল।

বেঙ্গালুরু থেকে ওই চক্রকে ধরেছে পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার পুলিশের তরফে এই খবর জানানো হয়েছে।

সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের ডিসিপি কুলদীপ বলেন, কুড়ি বছর বয়সী দুই বাংলাদেশি যুবতীকে ওই চক্র থেকে উদ্ধার করা হয়েছে তাদেরকে হোমে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে পুলিশ।

এই ঘটনায় লিপি, মন্ডল এবং হোসেন নামে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে লিপি ও হোসেন বাংলাদেশের বাসিন্দা এবং মন্ডল দিল্লির বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে প্রথমে একজন বাংলাদেশি যুবতীকে বেঙ্গালুরুতে নিয়ে আসা হয়. সেখানে তাকে নিয়ে পাচারের চেষ্টা চলছিল। পরে আরও এক বাংলাদেশি যুবতীকে নিয়ে আসে অভিযুক্তরা তিনজনকে স্থানীয় আদালতে পেশ করা হলে তাদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে হাইটেক ভাবে মধুচক্র চালানোর বড়সড় চক্র ফাঁস করেছিল পুলিশ। এই বেঙ্গালুরুতেই কাস্টমারদের মহিলা বাছাই থেকে পেমেন্ট সবকিছুই চলত প্রযুক্তির সাহায্যে। গোপন সূত্রে হানা দিয়ে বড়সড় মধুচক্রের আসর ভাঙে পুলিশ। গত বছরের জুলাই মাসেই এই মধুচক্রের হদিশ পাওয়া গিয়েছিল।

শুধু তাই নয়, পুরো চক্রটাই চলত বেঙ্গালুরু পুলিশের এক হেডকনস্টেবলের অঙ্গুলি হেলনে। পারাপ্পানা অগ্রহারা থানার অপরাধ দমন শাখার কর্মী ওই কনস্টেবল কারিবাসপ্পাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।