নয়াদিল্লি : করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। ফলে আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রীবাহী বিমান পরিষেবা এখনই চালু করতে নারাজ কেন্দ্র। এই পরিস্থিতিতে ডিরেক্টর জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন বা ডিজিসিএ জানিয়ে দিয়েছে ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত যাত্রীবাহী বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে।

কোনও আন্তর্জাতিক রুটেই ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত বিমান উড়ানে অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে ডিজিসিএ। শুধুমাত্র ভারত থেকে নয়, অন্য দেশ থেকেও ভারতে যাত্রীবাহী বিমান আসার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে খবর।

তবে বিশেষ কিছু বিমান বন্দে ভারত মিশনের আওতায় থেকে যাতায়াত করবে বলে জানিয়েছে ডিজিসিএ। এক সার্কুলার জারি করে ডিজিসিএ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক উড়ান আপাতত বন্ধ রাখা হবে।

দেশে ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত উড়ান বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে কেন্দ্র দ্বারা নির্দিষ্ট কিছু রুটে বিমান চলাচল হবে। বাণিজ্যিক যাত্রী বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিজিসিএ। জানানো হয়েছে এই নির্দেশিকা কার্গো অপারেশনেও বলবৎ থাকবে। ভারতে আসা ও যাওয়া আন্তর্জাতিক উড়ানের ক্ষেত্রে নির্দেশ বলবৎ করার কথা বলা হয়েছে।

করোনা সংক্রমণের জেরে ভারতে গত ২৩ মার্চ থেকে বন্ধ রাখা হয় আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা। তবে করোনার ক্রমবর্ধমান সংক্রমণে বারবার বাড়াতে হচ্ছে বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখার মেয়াদ। এরই মাঝে এয়ার ইন্ডিয়া ট্যুইট করে জানায় ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ১৮০টি বিমান চালানো হবে।

বন্দে ভারত মিশনের আওতাধীন এই উড়ানগুলি চালু করা হয় ২২শে জুলাই থেকে। টিকিট বুকিং শুরু হয় ২০শে জুলাই থেকে। অনুমোদিত ট্র্যাভেল এজেন্ট বা ওয়েবসাইট থেকে টিকিট বুক করা যাচ্ছে। এর আগে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের সঙ্গে এয়ার বাবলের মাধ্যমে বিমান পরিষেবা চালু করছে ভারত বলে জানানো হয়।

১৭ই জুলাই থেকেই শুরু হয় এই পরিষেবা। তবে নির্দিষ্ট পরিমাণে বিমান চলাচল করবে বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স ছাড়াও কেনিয়া, ভুটান, ব্রিটেন, কানাডা, সংযুক্ত আরব আমীরশাহী, কাতার, নাইজেরিয়া, মালদ্বীপ, জাপান, ইরাক, জার্মানির সঙ্গে এয়ার বাবলের মাধ্যমে বিমান উড়ান চালু করেছে ভারত।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।