নয়াদিল্লি : এই বছর আর উড়বে না আন্তর্জাতিক বিমান। জানিয়ে দিল ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন। ডিজিসিএ জানিয়ে দিয়েছে, ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক উড়ান পরিষেবা বন্ধ থাকবে। করোনা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেই এই সিদ্ধান্ত বলে খবর।

কোনও আন্তর্জাতিক রুটেই ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিমান উড়ানে অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে ডিজিসিএ। শুধুমাত্র ভারত থেকে নয়, অন্য দেশ থেকেও ভারতে যাত্রীবাহী বিমান আসার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে খবর।

তবে বিশেষ কিছু বিমান বন্দে ভারত মিশনের আওতায় থেকে যাতায়াত করবে বলে জানিয়েছে ডিজিসিএ। এক সার্কুলার জারি করে ডিজিসিএ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক উড়ান আপাতত বন্ধ রাখা হবে। দেশে ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত উড়ান বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে কেন্দ্র দ্বারা নির্দিষ্ট কিছু রুটে বিমান চলাচল হবে। বাণিজ্যিক যাত্রী বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিজিসিএ।

জানানো হয়েছে এই নির্দেশিকা কার্গো অপারেশনেও বলবৎ থাকবে। ভারতে আসা ও যাওয়া আন্তর্জাতিক উড়ানের ক্ষেত্রে নির্দেশ বলবৎ করার কথা বলা হয়েছে। করোনা সংক্রমণের জেরে ভারতে গত ২৩ মার্চ থেকে বন্ধ রাখা হয় আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা।

তবে করোনার ক্রমবর্ধমান সংক্রমণে বারবার বাড়াতে হচ্ছে বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখার মেয়াদ। এরই মাঝে এয়ার ইন্ডিয়া ট্যুইট করে জানায় ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ১৮০টি বিমান চালানো হবে। বন্দে ভারত মিশনের আওতাধীন এই উড়ানগুলি চালু করা হয় ২২শে জুলাই থেকে।

টিকিট বুকিং শুরু হয় ২০শে জুলাই থেকে। অনুমোদিত ট্র্যাভেল এজেন্ট বা ওয়েবসাইট থেকে টিকিট বুক করা যাচ্ছে। এর আগে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের সঙ্গে এয়ার বাবলের মাধ্যমে বিমান পরিষেবা চালু করছে ভারত বলে জানানো হয়।

ফাইল ছবি

১৭ই জুলাই থেকেই শুরু হয় এই পরিষেবা। তবে নির্দিষ্ট পরিমাণে বিমান চলাচল করবে বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।