নয়াদিল্লি : অঙ্ক শুনলেই গায়ে জ্বর আসে অনেকের। মনে এসে যায় বাংলা ব্যান্ড চন্দ্রবিন্দুর গাওয়া অঙ্ক কি কঠিন গানের লাইন। মনে পড়ে যায় ইস্কুলে গোঁফওলা অঙ্কের স্যারের চোখ রাঙানি। আহমেদাবাদের ১৪ বছরের কিশোরের কাছে এসব কিচ্ছু না। অঙ্ক একবার পেলেই হল। সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত এক অঙ্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সে।

তুষার তলবত পড়ে হেমচন্দ্রচার্য সংস্কৃত পাঠশালার ক্লাস টেনের ছাত্র।  ইন্দোনেশিয়ার এই আন্তর্জাতিক অঙ্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছিল Abacus Learning of Higher Arithmetic (ALOHA)। সেখানেই বাজিমাত করে দিয়েছে তুষার।  ১৮ দেশের ১৩০০ ছাত্রদের মধ্যে সে প্রথম স্থান অধিকার করে। তুসারের এমন সাফল্যে স্বভাবতই খুশি তার স্কুলের শিক্ষকরা।  চ্যাম্পিয়ন তুষারকে পুরস্কৃত করেছেন দেশের মানব সম্পদ উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী প্রকাশ জাভেদকারও।

তুষারের অঙ্কের ভেল্কি নতুন কিছু নয়। রাজ্য ও জাতীয় স্তরে এর আগেও সে কিরতি স্থাপন করেছে। গত বছর গুজরাতের অঙ্ক প্রতিযোগিতায় ৫৩০০ প্রতিযোগীকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তুষার। মাত্র ৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে  করেছিল ৭০ প্রশ্ন সঠিক সমাধান করেছিল সে ।   চেন্নাইয়ের জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় ৪৩০০ জনকে পিছনে ফেলে প্রথম হয়েছিল সে। ছয় অঙ্কের ৭০ টি যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগের সমাধান করেছিল ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডে।