ইন্দোর: বোর্ড সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ইডেনে গোলাপি বলে দিন-রাতের টেস্ট খেলায় সম্মতি জানাতে মাত্র ৩ সেকেন্ড সময় নিয়েছিলেন বিরাট কোহলি৷ যার অর্থ, আগে থেকেই মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন ভারত অধিনায়ক৷ আগে কখনও গোলাপি বলে কৃত্রিম আলোয় ম্যাচ খেলেননি বিরাট৷ ইন্দোরে প্রথম টেস্টের একদিন আগে ঘণ্টাখানেক অনুশীলন সেরেছেন গোলাপি এসজি বলে৷ পিঙ্ক বলে প্রথম নেট সেশনের পর ভারত অধিনায়কের উপলব্ধি, গোলাপি বল লাল বলের তুলনায় স্যুইং করছে অনেক বেশি৷

আরও পড়ুন: ইডেনে ঐতিহাসিক ডে-নাইট টেস্টের সময় পরিবর্তন

এমন পরিস্থিতিতে প্রতিপক্ষ বাংলাদেশের কোন বোলারকে একটু সতর্ক হয়ে সামলাতে হবে, তাও চিহ্নিত করেছেন কোহলি৷ তবে তিনি এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত নন যে, গোলাপি বল পুরনো হলে কেমন আচরণ করবে৷ বিশেষ করে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে ইডেনে শিশির সমস্যা যেখানে অবধারিত, সেখানে পুরনো বল ভিজে অবস্থায় কেমন আচরণ করতে পারে, সে বিষয়ে কোনও ধারণা নেই বিরাটের৷

আরও পড়ুন: ইডেনে ‘গোলাপি টেস্টে’র উদ্বোধনে মমতা-হাসিনার সঙ্গে থাকবেন অমিত শাহ

প্রথম ম্যাচের আগে সাংবাদিক সম্মেলনে এসে কোহলি গোলাপি বলে দিন-রাতের টেস্ট প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি মনে করি যে, টেস্ট ক্রিকেটকে আকর্ষণীয় করে তোলার একটা একটা পথ৷ আগের দিন (মঙ্গলবার) গোলাপি বলে ব্যাট করেছি৷ আমার মনে হয়েছে বাড়তি পালিশ থাকার জন্য লাল বলের তুলনায় গোলাপি বল একটু বেশি স্যুইং করছে৷ তাছাড়া গোলাপি বলের পালিশ সহজে নষ্টও হয় না৷ বলের সিমটাও একটু খাড়া৷’

আরও পড়ুন: দলীপ ট্রফির অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে দিন-রাতের টেস্টে: পূজারা

পরে বিরাট জানান, ‘যদি পিচে বোলারদের জন্য সাহায্য থাকে, তবে গোটা ম্যাচে বোলারদের, বিশেষ করে পেসারদের দাপট দেখা যাবে৷ তবে আমি জানি না গোলাপি বল পুরনো হলে কেমন আচরণ করবে৷ শিশিরে ভেজা অবস্থায় রংচটা বল কেমন আচরণ করে, সেটাই দেখার বিষয় হতে চলেছে৷’