ছবি: প্রতীকী

আমরা এমন অনেক কিছুই মানি বা মানতে চাই, যার কোনও যুক্তিগ্রাহ্য ব্যাখ্যা হয় না৷ কিন্তু প্রজন্মের পরম্পরায় তা মেনে আসেন অনেকেই৷ তবে কিছু কুসংস্কারের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কিছু ব্যাখ্যা৷ সেগুলি জেনে নিন৷

১৷ বিড়ালের রাস্তা কাটা: আপনার চলার পথে বিড়াল রাস্তা কাটলে আপনি দাঁড়িয়ে পড়েন? অনেক গাড়ি চালক এই নিয়ম মেনে থাকেন৷ কারণ ধরা হয় বিড়াল রাস্তা কাটলে নাকি, তা যাত্রা পক্ষে অশুভ৷ আসল কথা হল, অনেক সময় বিড়ালকে তাড়া করে বড় কোনও পশু৷ যা গাড়ি বা মানুষের সামনে এসে পড়লে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটার আশংকা থাকে৷

২৷ ভাঙা আয়নায় মুখ দেখা : ভাঙা আয়নায় মুখ দেখলে নাকি বাড়ির অমঙ্গল হয়৷ অসুস্থ হতে পারেন পরিবারের প্রিয় জন৷ আসল কারণ হল ভাঙা আয়না বাড়িতে থাকলে, যে কোনও সময় দুর্ঘটনা বশত হাত কেটে যাওয়ার আশংকা থাকে৷

৩৷ সূর্যাস্তের পর নখ কাটা: এই কাজ করলে যিনি নখ কাটছেন, তার গভীর অসুখ ধরা পড়ে বলে কুসংস্কার চালু রয়েছে৷ তবে এর পিছনে আসল কারণ হল আলোর অভাবে নখ কাটার সময়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে৷ কেটে যেতে পারে হাত বা পা৷

৪৷ গভীর রাতে পেঁচার ডাক: রাতে পেঁচা ডাকলে নাকি গৃহস্থের অমঙ্গল হয়৷ কিন্তু স্বাভাবিক নিয়মেই পেঁচা রাতে ডাকে৷ এই সময় ইঁদুর ধরতে পেঁচা মাটিতে নেমে আসে ও ডাকে৷ তাই গভীর রাতে পেঁচার ডাক শুনতে পাওয়াটা অতি সাধারণ ও স্বাভাবিক একটি ব্যাপার৷

৫৷ গায়ে টিকটিকি পড়া মানেই মৃত্যু: এরকম একটা ধারণা প্রচলিত রয়েছে আমাদের মনে৷ তবে এর পিছনে যুক্তি গ্রাহ্য ব্যাখ্যা হল টিকটিকি খুবই বিষাক্ত একটি প্রাণী৷ এর থেকে দূরে থাকাই বাঞ্ছনীয়৷ তাই এই সংস্কারের চল হয়েছে৷

৬৷ পিছন থেকে ডাকা: যাত্রা করার সময় কেউ পিছন থেকে ডাকলে, তাকে অশুভ বলে মনে করা হয়৷ এতে নাকি যাত্রা ভঙ্গ হতে পারে৷ তবে এর পিছনে ব্যাখ্যা হল কেউ পিছন থেকে ডাকলে অন্যমনস্ক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে৷ ফলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে৷

৭৷ রাতে ফুল না ছেঁড়া: রাতে গাছে ফুল তুললে বা পাতা ছিঁড়লে শারীরিক ক্ষতি হয়, বা বাড়ির অমঙ্গল হয়৷ এর প্রধান কারণ হল রাতে গাছে অনেক বিষাক্ত কীট পতঙ্গ থাকে৷ ফুল ছিঁড়তে গেলে সেগুলোর কামড়ানোর আশংকা থাকে৷ তাই গাছে হাতে দিতে বারণ করা হয়৷