নয়াদিল্লি: দ্বিতীয় দফার লকডাউনের মেয়াদ প্রায় শেষের পথে। এই অবস্থায় বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। কিছু ক্ষেত্রে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হল। বুধবার এই ঘোষণা করা হয়েছে সরকারের তরফে।

৩ মে লকডাউন শেষ হওয়ার কথা। তার আগেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় অসুবিধায় পড়েছেন পরিযায়ী শ্রমিকেরা। টাকার অভাবে না খেতে পেয়ে থাকতে হয়েছে। কেউ আবার হাঁটতে হাঁটতে বাড়ি ফিরেছেন। সম্ভবত সেই কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র।

শ্রমিকদের কীভাবে ফেরানো হবে তার জন্য রাজ্যগুলিকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘আটকে থাকা ওইসব ব্যক্তিদের শারীরিক পরীক্ষা করা হবে প্রথমে। এরপর কোনও উপসর্গ না থাকলেই তাঁদের ফেরার অনুমতি দেওয়া হবে।’

এদিকে ভারতে একধাক্কায় আক্রান্ত বেড়ে মোট সংখ্যাটা দাঁড়াল ৩১ হাজার ৩৩২ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১০০৭ জনের। স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষ ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৭৩ জনের। এপর্যন্ত এটাই দেশে একদিনে সর্বাধিক মৃত্যু।

সারা দেশ জুড়ে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা ৭ হাজার ৬৯৬ জন। সুস্থ হয়ে ওঠার হার ২৪.৫৬ শতাংশ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. হর্ষবধন মঙ্গলবারই জানিয়েছিলেন, দেশে দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি কিছুটা নিম্নমুখী। সোমবার মুখ্যমন্ত্রীদের সাথে একটি ভিডিও বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত এলাকায়, বাড়ানো হতে পারে লকডাউন।

অন্যদিকে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, মে মাসের মধ্যেই দেশীয় করোনা ভাইরাস পরীক্ষার কিট উৎপাদন শুরু হবে ভারতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।