কলকাতা: ইতিমধ্যে তীব্র গরম করা নারছে ঘরের দরজায়। গরমে নাজেহাল হয়ে পড়েছে বঙ্গবাসী। বৃষ্টির দেখা নেই বললেই চলে, তাপমাত্রাও দিন দিন যেন আকাশ ছোঁয়ার তাগিদে বেড়েই চলেছে। এই গরমে অনেকেই তাদের প্রতিদিনের শরীরচর্চার মতো বিষয়গুলি বন্ধ করে থাকে। তবে গরম বলে অনুশীলন করা যাবে না, এই অজুহাত দেওয়া উচিত নয়। গরমেও কিছু নির্দিষ্ট বিষয় মাথায় রেখে বিভিন্ন আউটডোর ক্রিয়া-কলাপ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব।

অন্যদিকে আবার এই বিষয়টাও খেয়াল রাখতে হবে, এই গরমে অতিরিক্ত শরীরচর্চা করা উচিত নয়। তার কারণ অতিরিক্ত শরীরচর্চায় ঘাম হিটস্ট্রোক, বমি-বমি ভাব, মাথা ব্যাথা, ডিহাইড্রেশন এর মতো সমস্যাগুলি দেখা দিতে পারে। যদি কেউ তীব্র গরমের মধ্যে থাকে তবে তার শরীরের থাকা শীতল ব্যবস্থাটি অক্ষম হয়ে পরে, যার ফলে ক্লান্তি এবং হিটস্ট্রোকের সম্ভাবনা দেখা মেলে অনেক সময়।

অনুশীলন করার পরে প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া যথেষ্ট নয়। তার কারণ এই অনুশীলন করার ফলে আমাদের শরীরে ইলেকট্রোলাইট এবং লবণ ঘামের মাধ্যমে নষ্ট হয়। ইলেক্ট্রোলাইট আমাদের দেহে থাকা তরল উপাদানগুলির ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। ইলেক্ট্রোলাইট এর মধ্যে থাকে পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ক্লোরাইড, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম এর মতো উপাদানগুলি।

১. গরমকালে সকাল ১২ টা থেকে দুপুর ৩ টে পর্যন্ত সব থেকে বেশি গরমের মাত্রা থাকে। সেই কারণে এই সময়ে শরীরচর্চা করা উচিত নয়। খুব সকালে উঠতে পারলে সেই সময় অনুশীলন করা উচিত। এর পাশাপাশি বায়ু দূষণের মতো পূর্বাভাস যদি দেওয়া হয় তবে বাড়ির অভ্যন্তরে ব্যায়ম করা ভালো।

২. গাড় রঙের পোশাকের থেকে গরমে হালকা রঙের পোশাক পরা শ্রেয়। হালকা রঙের পোশাক তাপকে প্রতিফলিত করে থাকে, যার ফলে গরম কম লাগে। এর পাশাপাশি টাইট কাপড় পরা থেকে এড়িয়ে চলা ভালো। বাইরে ওয়ার্কআউট করার জন্য গরমে ফেব্রিকের পোশাক উপকারী।

৩. গ্রীষ্ম, শীত বা মেঘলা মরসুম বাইরে অনুশীলন করার জন্য সর্বদা সানস্ক্রিনটি কমপক্ষে এসপিএফ ৩০ বা তারও বেশি ব্যবহার করা উচিত। সানস্ক্রিন ব্যবহার না করলে ত্বক পুরে যেতে পারে, এবং অকাল বয়স বা ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে। রোদের এক্সপোজার কমাতে পুরো পোশাক পরা বুদ্ধিমানের কাজ।

৪. বাইরে শরীর ওয়ার্কআউট করতে যাবার আগে ২ গ্লাস জল পান করা ভালো। এর সঙ্গে একটি জলের ভর্তি বোতল ব্যবহার করতে হবে, যা থেকে মাঝে মাঝে ওয়ার্কআউট করার সময়ে জল পান করা যেতে পারে। আর পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটগুলি পুনরায় পূরণ করার জন্য আমাদের খেতে হবে ফল এবং শাকসব্জী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.