আগরতলা: শতাব্দীপ্রাচীন ত্রিপুরার চা শিল্প নানাবিধ সমস্যার কারণে রুগ্ন হয়ে পড়েছিল। বিগত তিন দশকের নানা অস্থিরতার ফলে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল অনেক চা-বাগান। শ্রমিক অসোন্তোষের কারণে অনেক বাগানে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেত মাঝে মাঝে। বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়ন ও সরকারের মধ্যস্থতায় সেই সমস্যার সমাধান করা অনেকাংশে সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশ সীমান্তে প্রায় ৮৫৬ মাইল এলাকা জুড়ে রয়েছে অনেক চা-বাগান। সেখানে খুন-অপহরণের মতো বিভিন্ন ঘটনা ছিল আগে নিত্যনৈমিত্তিক। এই কারণেও অনেক চা-বাগান বন্ধ করে দিয়েছিল মালিকপক্ষ। এখন সীমান্ত অঞ্চলের পরিস্থিতি অনেকটা  হয়েছে। এইসব কারণেই ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ত্রিপুরার চা শিল্প।

ভারতের চা সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ত্রিপুরায় ৫৮টি চা-বাগান চালু আছে। বছরে ত্রিপুরায় দশ লক্ষ কুইন্টাল চা উৎপন্ন হয়। সেই রাজ্যের চা শিল্পের এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের চিত্র এঁকে তিনি আরও জানান, “রাজ্যে ১৪ হাজার একর জায়গা জুড়ে চা-বাগান থাকলেও মাত্র ৬,৪০০ একর এলাকায় চা উৎপাদন করা হয়। বাকি জায়গাগুলোতেও খুব শীঘ্রই উৎপাদন শুরু হবে। এ বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সঙ্গে এবং কিছু শিল্পপতির সঙ্গেও সদর্থক আলোচনা হয়েছে।” ত্রিপুরায় পুরোদমে চা উৎপাদন শুরু হলে ভারতের অন্যান্য চা উৎপাদক রাজ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় তারা অনেকটাই এগিয়ে যেতে পারবে বলে ভারতের চা সমিতির আশা। বর্তমানে চা উৎপাদনে ত্রিপুরা অসম, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু ও কেরলের পরে পঞ্চম স্থানে আছে।

ত্রিপুরার চা শিল্পের সঙ্গে ২০ হাজারেরও বেশি মানুষের জীবন-জীবিকা জড়িয়ে আছে। ত্রিপুরা সহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে উৎপাদিত চা এখনও ইরান, রাশিয়া সহ পশ্চিম এশিয়া বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। আগামী বছরের অগস্টে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন শহরের বঙ্গ সম্মেলনেও ওই রাজ্যের চা পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন ত্রিপুরার এক চা-বাগান মালিক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।