নয়াদিল্লি:কয়েকদিন আগে রাজ্যসভায় পাশ হয়েছিল বিমা সংশোধনী বিল, এবার তা পাশ হল লোকসভায়। বিরোধিতার মধ্য সোমবার লোকসভায় ধ্বনি ভোটের মাধ্য়মে পাশ হয়েছে এই বিল । বিমা ক্ষেত্রে বিদেশি লগ্নির পরিমাণ ৪৯শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৪শতাংশ করতে এই বিলা আনা হয়। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন এই বিলের স্বপক্ষে জানিয়েছেন, বিদেশি লগ্নির সীমা বাড়ানোয় উপকৃত হবে বিমা ক্ষেত্র, এরফলে বিমা সংস্থার তহবিলের ব্যবস্থা হবে এবং আর্থিক সমস্যা দূর হবে ।

চরম বিরোধিতার মধ্যে গত সপ্তাহে বিমা বিল পাশ হয়েছিল রাজ্যসভায়। গত বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় এমন প্রস্তাবের চরম বিরোধিতা করতে দেখা যায় বিরোধী দলগুলিকে। বিরোধীরা দাবি করে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে এই বিলটি পাঠাতে। তবে সেই দাবি অগ্রাহ্য করা হয়। প্রসঙ্গত যেদিন এই ভাবে বিরোধীদের দাবি অগ্রাহ্য করে বিলটি পাস করানো হলো সেদিন জীবন বিমায় ধর্মঘট চলছিল। তাছাড়া তার আগের দিন বুধবার ছিল সাধারণ বিমায় ধর্মঘট।গোটা দেশ জুড়ে ওই দুদিনের ধর্মঘটে বিমা ক্ষেত্রে ভাল প্রভাব পড়তে দেখা যায়। আবার সোমবার লোকসভায় যখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-পুলিশকমিশনার বিতর্ক নিয়ে শাসক বিরোধীদের মধ্যে তুমুল বাকযুদ্ধ চলছিল তখন হঠাৎ বিমা বিল আনা হয় এবং তা পাশ করিয়ে নেওয়া হয়।

গত বছরটা করোনা অতি মহামারীর ধাক্কায় রীতিমতো চাপে ছিল অর্থনীতি। বিশেষত রাজকোষের ঘাটতি যেভাবে বাড়ছে তা সামাল দিতে বিলগ্নিকরণের পথের উপর ভরসা রাখতে দেখা গিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে। বিশেষত কয়েকদিন আগে তাঁর পেশ করা বাজেট ভাষণে তারই প্রতিফলন দেখা গিয়েছিল। তিনি আয়ের পথ খুঁজতে গিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণ করা হবে বলে জানান৷ এছাড়া বাজেটে ব্যাংক বিমা বিলগ্নিকরণের দিকে জোর দিয়েছিলেন। সেদিনের বাজেট ভাষণের সময় তিনি জানিয়েছেন, আইডিবিআই ব্যাংক ছাড়াও দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের বেসরকারিকরণ করা হবে। এছাড়া একটি সাধারণ বিমা সংস্থার বেসরকারিকরণ করার পাশাপাশি ভারতীয় জীবন বিমা নিগমের শেয়ার ছাড়া হবে৷ এছাড়া বিমা ক্ষেত্রে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়িয়ে ৭৪ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছিল

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.