বাদ্যযন্ত্র (musical instrument) বাজানো শুনতে কে না ভালোবাসে? অনেক ধরণের নাম না জানা বাদ্যযন্ত্র আছে পৃথিবীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে।

সাধারণ জিনিস দিয়ে কীভাবে অসাধারণ সুর সৃষ্টি করা যায় এসব বাদ্যযন্ত্র (musical instrument) শুনলেই হয়তো তা আমরা বুঝতে পারি। কিন্তু আপনি কি কখনো কল্পনায়ও ভেবেছেন যে বরফ দিয়ে কিংবা সব্জি দিয়েও বাদ্যযন্ত্র তৈরি করা ও বাজানো যেতে পারে?

অবাস্তব লাগলেও বাস্তবেই এমন সৃষ্টিশীল কিছু অদ্ভূত বাদ্যযন্ত্র (musical instrument) যা সবাইকে অবাক করতে বাধ্য। তেমনই কিছু বাদ্যযন্ত্র সম্পর্কে জানানো হল।

১. গাজর থেকে বাঁশি: গাজর কীভাবে বাঁশিতে (flute) পরিণত হয় সেটাই ভাবছেন নিশ্চয়? ভিয়েনার ভেজিটেবল অর্কেস্ট্রা একটি কুমড়োকে ড্রামে, সেলারি শাককে গিটার এবং বেল পিপার বা এক ধরনের লম্বা ধরণের দেখতে লঙ্কাকে শিং বানিয়ে বাদ্যযন্ত্রে পরিণত করে দেয়।

আরো পোস্ট-  চিংড়ি নয়, তবে এই মালাইকারিতে রয়েছে চমক!

তবে শর্ত আছে যে ভালো সুর সৃষ্টির জন্য অবশ্যই শাক-সবজিগুলো একেবারে টাটকা হতে হবে। ১৯৯৮ সাল থেকে অর্কেস্ট্রাটি বিশ্ব জুড়ে অনেক জায়গায় কনসার্ট করে আসছে।

প্রত্যেক শো-এর পর অতিথিদের জন্য ওই শাক-সবজিগুলো দিয়ে ভেজিটেবল স্টু বানিয়ে দেওয়ার রীতি রয়েছে।

২. বরফ থেকে সুর: বরফের শব্দ কোনো বস্তুর থেকে ভিন্ন। তাই আইস মিউজিক ফেস্টিভেলে প্রতি বছর পর্যটকরা বরফের সুর শুনতে হাজির হন।

এক একটি বাদ্যযন্ত্র তৈরি করতে কমপক্ষে ১২ ঘণ্টা সময় দিতে হয় নাকি। কিন্তু যেহেতু বরফ তাই কনসার্টের আগ এটি গলে যায় কিনা, সেটা শিল্পীর ভাগ্যের উপর নির্ভরশীল।

৩. মার্বেল মেলোডিস (marbel melodies): সুইডিশ সুরকার মার্টিন মলিন এই অদ্ভুত মার্বেল মেশিনটি তৈরি করেন। জানা গেছে যে এটি বানাতে ১৪ মাস ধরে অবিরাম কাজ করেছেন তিনি।

এটি আসলে একটি কাঠের বাদ্যযন্ত্র, যার আকার একটি তাঁত যন্ত্রের মতো দেখতে। এর মধ্যে দুই হাজার ইস্পাতের মার্বেল রয়েছে যেটা একটি বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে ঘুরতে থাকে এবং একে অপরের মধ্যে সংঘর্ষ হয় যার ফলে ভিন্ন ভিন্ন সুর সৃষ্টি হয়।

ইন্টারনেটে যন্ত্রটির কথা পোস্ট করার পর তা মুহূর্তেই নেটিজেনদের মন জিতে নেয়। ভিডিওটি দেখেছেন চার কোটিরও বেশি মানুষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.