স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে যেমন আর পারদ নামেনি তেমন ব্যাপক পরিমানে যে তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছে এমনটাও নয়। মঙ্গলবার মোটামুটি শীতের আমেজ ভালো মতো অবস্থান করছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও পশ্চিমের জেলাগুলিতে।

হাওয়া অফিসের তথ্য জানাচ্ছে, মঙ্গলবার আসানসোলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাঁকুড়ায় ১২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বর্ধমান ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ক্যানিং ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কাঁথি ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মেদিনীপুর ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পুরুলিয়ায় ১১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীনিকেতনে ১০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রবিবার আসানসোলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাঁকুড়ায় ১২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বর্ধমান ১২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ক্যানিং ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কাঁথি ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পানাগড়ে ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পুরুলিয়ায় ৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীনিকেতনে ১২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে সোমবার প্রায় ১৭’র কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। মঙ্গলবার ফের কমল শহরের তাপমাত্রা। যদিও তা স্বাভাবিকের থেকে অল্প বেশি রয়েছে। শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সোমবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। অর্থাৎ খুবই অল্প, তবু ফের পারদ নেমেছে শহরে।খুবই অল্প, তবু ফের পারদ নেমেছে শহরে, কারণ হাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম।

শুক্রবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বৃহস্পতিবার ২৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। আর্দ্রতার পরিমান ব্যাপক ভাবে কমে ছিল। মূলত সকালের দিকে তা অনেকটাই কম ছিল ওইদিন। সর্বোচ্চ ৯৫ শতাংশ, সর্বনিম্ন ২৬ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।