নয়াদিল্লি: করোনা অতি মহামারীর আগে থেকে বাজারে চাহিদা এবং বেসরকারি বিনিয়োগের গতি কমে এসেছিল। তার জন্য দেশের অর্থনৈতিক গতি মন্থর হয়। এরপর করোনা সংকট পরিস্থিতি আরও খারাপ করে দিয়েছে।

এই অবস্থায় অর্থনীতির চাকা ঘোরাতে কেন্দ্রের নির্ভর করতে হচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির উপর। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সোমবার নির্দেশ দিয়েছেন, বড় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রীয় সংস্থা গুলি চলতি আর্থিক বছরে পুঁজি বিনিয়োগ যে পরিকল্পনা করেছে তার ৭৫ শতাংশ ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই ঢালতে হবে।

এদিন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী কয়লা পেট্রোলিয়াম প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের সচিব এবং অন্যান্য সমস্ত মন্ত্রকের অধীনে থাকা ১৪টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তারপর তিনি জানিয়েছেন, এই অতি মহামারীর জেরে ধাক্কা খাওয়া অর্থনীতিকে ঘুরিয়ে দাঁড় করাতে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা গুলির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

ফলে এই পরিস্থিতিতে পুঁজি বিনিয়োগের ব্যাপারে এই সংস্থাগুলিকে চলতি এবং পরের আর্থিক বছরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। চলতি আর্থিক বছরে সংস্থাগুলির যে পুঁজি ঢালার পরিকল্পনা ছিল তার ৭৫ শতাংশ ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই করে ফেলতে হবে।

অর্থমন্ত্রক সূত্রের খবর, এছাড়া কেন্দ্রের পক্ষ থেকে রাজকোষের বিপুল ঘাটতি পূরণের উদ্দেশ্যে আটটি বৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বাজার থেকে শেয়ার বাই ব্যাক করানোর বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করতে বলা হয়েছে। এইসব সংস্থা গুলির মধ্যে রয়েছে কোল ইন্ডিয়া ,এমএমডিসি, এনটিপিসি মত সংস্থাগুলি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।