ভুবনেশ্বর: তিন তালাক নিয়ে বিভিন্ন মতামতই উঠে আসছে বিগত কয়েকদিন ধরে৷ কোনওটা পক্ষে, আবার কোনওটা বিপক্ষে৷ তবে এসবের পাশে তিন তালাক নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়েছে বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন খোদ বিজেপিরই এক বিধায়ক, বিষ্ণু শেঠি৷ তাঁর দাবি, যে সব মুসলিম মহিলাদেরকে জোর করে তিন তালাক দেওয়া হয়, তাদের বাধ্যতামূলকভাবে দেহব্যবসার দিকে ঠেলে দেওয়া হয়৷ এই মন্তব্যের পরই শোরগোল পড়ে যায় রাজনীতির অন্দরমহলে৷ যদিও নিজের মন্তব্যের স্বপক্ষে ওই বিজেপি বিধায়ক বলেছেন, কংগ্রেস তাঁর কথার ভুল মানে বের করছে৷ তিনি নিজে কোনও ভুল কথা বলেননি৷

বিষ্ণু শেঠি আরও বলেন, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে তিন তালাক নেই৷ এটা বিজেপির বিষয় নয়৷ শীর্ষ আদালত একটি নিরেদশ দিয়েছিল এবং বিজেপি সেটি লাগু করেছে৷ এতে ভুল কোথায়৷ তিন তালাকে নির্যাতিতারা আমাদের কন্যা৷ বৃহস্পতিবার বিধানসভায় তিনি বলেন তিন তালাকের মতো সহজ বিবাহ বিচ্ছেদ প্রক্রিয়ার জন্যই ভারতে একটা বড় সংখ্যায় মহিলারা দেহব্যবসার দিকে ঝুঁকে পড়ছে৷

এদিকে কংগ্রেস বিধায়ক নরসিংহ মিশ্রা বলেন, বিজেপি একটি সাম্প্রদায়িক দল৷ আর সেই দলের নেতা এই ধরণের মন্তব্য করে পরিস্থিতি অশান্ত করে তোলার চেষ্টা করছে৷

প্রসঙ্গত, গত ৩০ জুলাই রাজ্যসভাতে পাশ হয় তিন তালাক বিল৷ এর ভিত্তিতে এখন থেকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে তাৎক্ষণিক তিন তালাক। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় এই বিলের ৯৯ ভোট পড়ে৷ যেখানে বিপক্ষে ভোট পড়ে ৮৪টি৷ বিলের বিরোধিতায় রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করে এআইডিএমকে ও জেডিইউ, ওয়াকআউট করে টিআরএস-ও৷ এর আগে, বৃহস্পতিবার লোকসভায় এই বিল পাস হয়। এই বিল অনুসারে তিন তালাক দেওয়ার অপরাধে এক পুরুষের কারাদণ্ড হতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।