লন্ডন:  সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুক কিংবা টুইটারে কখনও আপত্তিকর-অশ্লীল ছবি দেওয়া যায় না। যদিও বা ভুলবসত কোনও ইউজার তা পোস্ট করে দেয়, তা সোশ্যাল মিডিয়ার পেজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এবং ওই ইউজারকে ব্লক করে দেওয়া হয়। কোনটা অশ্লীল এবং আপত্তিকর তা কীভাবে বোঝে সোশ্যাল মিডিয়া। এজন্যে অত্যাধুনিক একটি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই প্রযুক্তি যে সবসময় ঠিক পথে চলে না তারই প্রমাণ মিলল এই ঘটনায়! cake-final
ব্রিটেনের এক মহিলার নাম সু মোসেলে। তাঁর মেয়ে ইস্টার স্যাটার ডে-র জন্যে ঐতিহ্যবাহী সিমনেল কেক বানিয়ে ছিলেন। মেয়ের বানানো কেকটি মা ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেন। তারপর ফের যখন তিনি ইন্সটাগ্রামে লগ ইন করতে যান, তখন এই সোশ্যাল মিডিয়ার তরফে জানানো হয় তাঁর অ্যাকাউন্ট ডি অ্যাক্টিভেট করে দেওয়া হয়েছে। কারণ তিনি খোলা স্তনের ছবি নাকি পোস্ট করেছেন! বিষয়টি প্রথমে না বুঝেনি। পরে বিষয়টি ক্লিয়ার হয় তাঁর কাছে! তিনি বোঝেন কেকের ওই ছবিটিকে স্তন ভেবে গুলিয়ে ফেলেছে ইন্সটাগ্রাম। সোশ্যাল মিডিয়ার কাছে এই কেকের ছবি নাকি অশ্লীল! এমনটাই দাবি প্রযুক্তির। আর তার জেরে তাঁর ইন্সটাগ্রামের অ্যাকাউন্টিকেও ব্লক করে দেওয়া। যদিও ঘটনার অনেক পরে নিজের ভুল বুঝতে পারে সোশ্যাল মিডিয়া। খুলে দেওয়া হয় তাঁর অ্যাকাউন্টিও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I