কলকাতা: বেশ কিছুদিন ধরেই শহরবাসী দেখছেন নিউটাউনে এক ঝুলন্ত নির্মাণ। চারটি স্তম্ভে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে গোল চাকতির আকারের ওই নির্মাণ। কাঁচের গায়ে লেখা রয়েছে ‘বিশ্ব বাংলা গেট’। অনেকেরই হয়ত ধারনা নেই যে এর ভিতরে ঠিক কি হতে চলেছে। অবশেষে সেই রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। প্রকাশ্যে এসেছে ভিতরের ছবিটা।

কলকাতা গেট নামেও পরিচিত এই বিশ্ব বাংলা গেট। এই গেটের মধ্যে আসলে থাকছে একটি ঝুলন্ত রেস্তোরাঁও। গেটের চারটি স্তম্ভ জুড়ে রয়েছে একটি বলয়। কাচ দিয়ে ঘেরা এই বলয়াকৃতি অংশের ভিতরেই থাকবে রেস্তোরাঁ এবং ভিজিটর্স গ্যালারি। যেখান থেকে নিউটাউন ও কলকাতার অনেকটা অংশ দেখা যাবে। এটি কলকাতা শহরের প্রবেশ দ্বার হিসাবে নির্মাণ করা হয়েছে।

এই গেটের নকশা করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৭-র ৬ মার্চ থেকে এই গেটের নির্মাণ শুরু হয়। গেটটি নির্মাণ করা হচ্ছে ৭০ টন ইস্পাতের দ্বারা। এই গেট নির্মাণে খরচ হচ্ছে প্রায় ২৫ কোটি টাকা।

প্রায় ৫৫ মিটার উচ্চতা এই গেটের। দর্শকদের জন্য তৈরি বলয়াকৃতি টানেলটি রয়েছে প্রায় ২৫ মিটার উপরে। কলকাতা গেটের একপাশেই থাকা লিফটের সাহায্যে উপরে উঠতে হবে। রেস্তোরাঁয় বসে খেতে খেতেই দেখা যাবে শহর কলকাতা।

প্যারিসের আইফেল টাওয়ারে ভিজিটর্স গ্যালারি এবং মালয়েশিয়ার ঝুলন্ত রেস্তোরাঁর ধাঁচেই তৈরি করা হয়েছে এই রেস্তোরাঁ। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, দেওয়ালে রয়েছে বিভিন্ন ছবি। টেবিলিগুলির সঙ্গে রয়েছে কাঠের চেয়ার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।