demo pic

স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট: শিক্ষক অর্থে সু-শিক্ষার বাহক যিনি৷ শব্দটা শুনলেই একধরনের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে ইচ্ছা জাগে প্রতিটা মানুষের৷ কারণ শিক্ষকের মারফতই সঠিক জীবনের সঠিক পথ দেখা সম্ভব হয়৷ কিন্তু এই ঘটনায় পাল্টে গিয়েছে শিক্ষকের প্রকৃত সংজ্ঞা৷ শিশুদের সঙ্গে নয়, এবার শিশুদের দিয়ে অশালীন কাজ করাতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লেন এক শিক্ষক। দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জ থানা এলাকার ভোওর এলাকার এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে৷ ধৃত শিক্ষকের নাম মিন্টু সেন৷

এই প্রসঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের দাবি, ঝারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন মিন্টু সেন৷ কিন্তু স্কুলের বেশ কিছু পিরিয়ড হয়ে গেলে ছোট ছোট শিশুদের তিনি তার নিজের ঘরে ডাকত৷ আর তারপর ওই সব শিশুদের প্যান্টের চেন খুলিয়ে গিয়ে নানা রকম অশালীন কাজ করাতেন৷ শিশুরা প্রথমে অভিভাবকদের এই বিষয়ে বললেও তারা কোনও রকম ভ্রূক্ষেপ করেনি৷ কিন্তু পরে যখন বিষয়টি গাঢ় হতে থাকে অভিভাবকরা সতর্ক হয়ে ওঠে৷ তাঁদের সন্দেহ হলে তাঁরা একদিন স্কুলে হানা দেয়৷

আর সেখানেই অভিভাবকরা হাতেনাতে ধরে ফেলেন ওই শিক্ষককে। স্থানীয় থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করে। ওই অঞ্চল সংলগ্ন ভোওরের বাসিন্দা অনিল টিজ্ঞা অভিযোগ করে বলেন,‘‘এই শিক্ষক বহুদিন ধরেই এমন অপকর্ম করে চলেছেন। এর আগেও তাকে হাতেনাতে ধরে সাবধান করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি আবার তিনি শিশুদের ঘরে ডেকে নিয়ে অশালীন কাজ করানো শুরু করেছিলেন। বুধবার শিশুরা বাড়ি ফিরে এই ব্যাপারে নালিশ করলে বিষয়টা জানতে পারা যায়৷’’

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।