কলকাতা: দেশের নৌবাহিনীর মুকুটে যোগ হল আরও একটি পালক৷ সোমবার গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের (GRSE)এর কারখানা থেকে জলে ভাসল যুদ্ধজাহাজ INS Himgiri।

কী কী অস্ত্র থাকছে এই জাহাজে? P17A ক্লাসের এই রণতরীতে থাকছে বারাক, ব্রহ্মস সুপারসনিক মিসাইল। থাকছে বিমান, কপ্টার ও জাহাজ বিধ্বংসী প্রতিরোধ ব্যবস্থা। জাহাজের ডেকের ভেতর থেকেই ছোড়া যাবে ক্ষেপণাস্ত্র। যুদ্ধ জাহাজটিতে রয়েছে দু’টি GE LM2500 গ্যাস টার্বাইন, দু’টি ডিজেল ইঞ্জিন।

অন্যান্য যুদ্ধ জাহাজের থেকে আইএনএস হিমগিরির অটোমেটিক ব্যবস্থা অনেকটাই বেশি। ফলে এটি চালাতে অনন্ত ২০ শতাংশ কম খরচ হবে। জাহাজটিতে থাকতে পারবেন ১৫০ ক্রু।

সূত্রের খবর, দীর্ঘ তিনবছর ধরে একেবারে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মাণ করা হয়েছে বিশেষ স্টিল দিয়ে৷ এটি উচ্চমানের, উন্নততম ও অত্যাধুনিক রণতরী৷ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম অ্যান্টি সাবমেরিন রণতরী ‘আই এন এস কামোর্তা’।

২৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি ৩২ নটিক্যাল মাইল গতিবেগের আই এন এস কামোর্তা সম্পূর্ণ ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক সাবমেরিন ধ্বংসকারী যুদ্ধ জাহাজ।

১১০ মিটার দৈর্ঘ্যের যুদ্ধ জাহাজে রয়েছে টোড অ্যারে ডিকয় সিস্টেম (আটিডিএস)। দীর্ঘদিন ধরে সেনাবাহিনীতে কাজ ও অভিজ্ঞতার সুবাদে বিপিন রাওয়াতই প্রথম CDS বা চিফ ডিফেন্স স্টাফ নিযুক্ত হয়েছেন৷ এই প্রথম CDS হওয়ার পর বাংলায় আসলেন বিপিন রাওয়াত৷

সোমবার দুপুর ১ টা নাগাদ সস্ত্রীক রাওয়াত গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডে আসেন৷ রাওয়াত দম্পতি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নৌবাহিনীর অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও৷ ভারতীয় নৌবাহিনীতে তিন ধরণের রণতরী রয়েছে৷ আকার ও আয়তনের দিক থেকে বড় রণতরী হল ডেসট্রয়ার, দ্বিতীয় ফ্রিগেটস, আর তৃতীয় করভেটস৷

ফ্রিগেটস মূলত রসদ নিয়ে যাওয়া, ক্লোজ রেঞ্জে শত্রু জাহাজ ও সাবমেরিনে আঘাত হানার কাজ করে৷ ডেসট্রয়ার ক্যাটেগরির রণতরীর কাজ সমুদ্রে রূপ নির্ণয় করা৷ ভারতে এই মুহূর্তে ১৩টি ফ্রিগেটস আছে৷ এই ফ্রিগেটসটি যুক্ত হলে সংখ্যা দাঁড়াবে ১৪ টিতে৷ তিনটি ক্লাস এর ফ্রিগেটস হয়৷

প্রথমটি শিবলিক ক্লাস, দ্বিতীয়টি তালবার ক্লাস এবং তৃতীয়টি ব্রহ্মপুত্র ক্লাস৷ নীলগিরি বা প্রজেক্ট ১৭এ হল শিবলিক ক্লাসের রণতরী বা ফ্রিগেটস৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।