স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: বাংলা জয়ের স্বপ্ন দেখছেন অমিত শাহ৷ মেয়ো রোডের সভায় দাঁড়িয়ে রাজ্যবাসীর কাছে অনুরোধ করছেন একবার অন্তত নরেন্দ্র মোদীকে বাংলার পরিচলনার ভার দেওয়ার জন্য৷ কিন্তু হায়! বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য থেকে সাধারণ কর্মীরাইতো আস্থা হারাচ্ছেন সংগঠনের উপর থেকে৷ দল ছেড়ে তারা নাম লেখাচ্ছেন রাজ্যের শাসক দলে৷ একই পথের পথিক কংগ্রেস ও সিপিএম কর্মীরাও৷ দল ছেড়ে তাদের গন্তব্যও তৃণমূল৷

মালদহের গাজোলে বিরোধীদের ভাঙন অব্যাহত৷ বৈরগাছি ১,২ এবং শালাইডাঙা ৩ ও ৪ সহ মোট সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএম ছেড়ে শাসক দলে নাম লেখালেন সাত জন জনপ্রতিনিধি৷ একই সঙ্গে তৃণমূলে যোগ দিলেন বিরোধী দল থেকে প্রায় পাঁচশ কর্মী৷ দলত্যাগী বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেস পঞ্চায়েত সদস্য ও কর্মীদের তৃণমূলে স্বাগত জানান গাজোলের তৃণমূল নেতা রণজিৎ বিশ্বাস ও দলের জেলা পর্যবেক্ষক সৌমিত্র রায়৷

দলত্যাগী বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য জয়ন্ত বাঁসদা বলেন, ‘‘জেলা বিজেপি নেতৃত্বের গোষ্ঠী কোন্দলে এলাকার উন্নয়নের কাজ বাধা পাচ্ছিল৷ গ্রামবাসীরা ভুল বুঝছিলেন৷ সেই কারেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলাম৷’’

সিপিএম, কংগ্রেস থেকে কর্মীদের দলত্যাগ নিয়মে পরিণত হয়েছে৷ কিন্তু বিজেপি এরাজ্যে ‘ইমার্জিং পাওয়ার’৷ ১৯শের লোকসভা, ২১শের বিধানসভাকে যথাক্রমে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল হিসাবে দেখছে গেরুয়া শিবির৷ সংগঠনকে পোক্ত করতে একাধিক পদক্ষেপও করা হচ্ছে৷ কিন্তু তাতে যে গোষ্ঠী কোন্দল কমানো যাচ্ছে না তা গাজোলে কর্মীদের দলত্যাগর ঘটনা আবারও প্রমাণ করল৷ এই প্রবণতা বজায় থাকলে বিজেপি সভাপতির বাংলা জয়ের স্বপ্ন পূরণ কার্যত অসম্ভব বলে মত পর্যবেক্ষকদের৷