বারাসত : ফের আক্রান্ত ভাষ্কর্য। নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরেই এমন কাণ্ডে শুরু রাজনৈতিক চাপান উতোর।
উত্তর ২৪ পরগনার বরানগর পুরসভার অন্তর্গত ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের ন-পাড়ায় শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর মূর্তিতে আলকাতরা লেপে দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল।

কারা শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর আবক্ষ মূর্তি কালিমালিপ্ত করেছে এই নিয়ে শুরু তরজা। পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের ন – পাড়া শহর তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে এই ঘটনার পিছনে বিজেপির কর্মীরা দায়ি। যদিও বিজেপির তরফ থেকে এই ঘটনাটি অস্বীকার করা হয়েছে। জেলা বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের তরফে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে।

তবে তৃণমূলের অভিযোগের উত্তরে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এইরকম অপসংস্কৃতি বিজেপির নয়, আমরা প্রশাসনকে অনুরোধ করছি সঠিক তদন্ত করে এই ঘটনার সঙ্গে যারা যুক্ত, সেই দোষীদের গ্রেফতার করে শাস্তি দিক। ঘটনায় বরাহনগর পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের পক্ষ থেকে বরানগর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এলাকায় যথেষ্ট চাঞ্চল্য।

বরানগরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর অঞ্জন পাল বলেন, “২০১৩ সালে সাংসদ সৌগত রায় এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন । আমি নিজে উপস্থিত ছিলাম সেদিনের মূর্তি স্থাপন অনুষ্ঠানে । এই প্রথম এই ঘটনা ঘটল । পুলিশকে বলব, যারা দোষী তাদের খুঁজে বের করে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা হোক । বাংলায় অসংস্কৃতি কিছুতেই আমরা সহ্য করব না ।” বরানগর থানার পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে ।

এর আগেও রাজ্যে মণিষীদের ভাস্কর্য ও মূর্তি আক্রান্ত হয়েছে। শুধু রাজ্য নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলেছে এমন কাজ। প্রতিটিক্ষেত্রেই মণিষীদের ভাস্কর্য আক্রান্ত ও ভাঙচুরের ঘটনায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। ২০১৮ সালে ত্রিপুরায় বাম সরকার পতনের পর বিজেপি ক্ষমতায় আসে। সেই রাজ্যে মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সেই রেশ ধরে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, উত্তর প্রদেশ, সহ বিভিন্ন রাজ্যে এমন ঘটনা ঘটেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.