নয়াদিল্লি: করোনা চিকিৎসার কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ এই মুহূর্তে নেই। একদিকে যেমন ভ্যাক্সিন তৈরি করে করোনা নির্মূল করার প্রচেষ্টা চলছে, অন্যদিকে, বিভিন্ন ওষুধ পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে দেখা হচ্ছে। এবার মিলল করোনা নিরাময়ের তেমনই একটি উপায়।

চামড়ার সমস্যা সোরিয়াসিসে দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহার করা হয়ে আসছে ইতুলিজিমাব নামে একটি বিশেষ ইঞ্জেকশন। সেই ইঞ্জেকশন এবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহার করার কথা বলল ভারতের ড্রাগ রেগুলেটর।

বিশেষ কিছু করোনা আক্রান্তের ক্ষেত্রে এই ইঞ্জেকশন দেওয়া যেতে পারে। যাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে, তাদের দেওয়া হবে এই ইঞ্জেকশন। একটি একটি মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি ইঞ্জেকশন, যা আগেই অনুমোদন দিয়েছে বায়োকন।

ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া ড. ভি জি সোমানি ইতিমধ্যেই এই অনুওমদন দিয়েছেন। এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ভারতে করোনা আক্রান্তদের উপর ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পরই এই ইঞ্জেকশন ব্যবহারে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষায় আশাজনক ফল আশাতেই এই সিদ্ধান্ত।

বুগত বেশ কয়েক বছর ধরে সোরিয়াসিসে চিকিৎসায় এই ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

ইতিমধ্যেই ভারত বায়োটেক নামে একটি সংস্থা মানব শরীরে ভ্যাক্সিন ট্রায়ালের অনুমোদন পেয়েছে। আইসিএমআর-এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে তারা। অন্যদিকে, আমেদাবাদের একটি সংস্থাতেও চলছে ভ্যাক্সিন তৈরির কাজ। কিন্তু ঠিক কবে আসবে ভ্যাক্সিন?

সম্প্রতি আইসিএমআর-এর ডিরেক্টর জেনারেলের এ্কটি চিঠিতে ১৫ অগস্টের ডেডলাইন উল্লেখ করা হয়েছিল। তার বিরোধিতা করেন বিশেষজ্ঞরা। এবার কেন্দ্রের সংসদীয় কমিটি জানতে চাইল যে ঠিক কবে বাজারে আসবে ভ্যাক্সিন।

শুধু ট্রায়াল নয়, ভারতে বাণিজ্যিকভাবে ভ্যাক্সিন কবে আসবে অর্থাৎ কবে বাজারজাত হবে, তা নিয়েই প্রশ্ন করা হয়েছিল। তার উত্তরে সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ভ্যাক্সিন বাজারে বিক্রি করতে অন্তত ১২ মাস সময় লাগবে।

শুক্রবারের ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকা এক সদস্য বলেন, ‘জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে ঠিক কতদিন লাগতে পারে ভ্যাক্সিন আসতে। তার উত্তরে সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সবকিছু সঠিকভাবে চললে ভ্যাক্সিন আসতে সময় লাগবে ১২ মাস।’ এও জানানো হয়েছে যে, প্রাথমিকভাবে বাছাই করে কিছু মানুষকে এই ভ্যাক্সিন দেওয়া হবে। পরে সাধারণ মানুষকে ভ্যাক্সিন দেওয়া হবে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ