স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: শুভেন্দু অধিকারী বনাম ইন্দ্রনীল সেনের দ্বন্দ্বে এবার পথে নামছেন বাংলার সঙ্গীতজগৎ। রবিবার নন্দন চত্বরে প্রতিবাদ জানাবেন তাঁরা৷ দুপুর তিনটের সময় এই প্রতিবাদ সভা ডাকা হয়েছে৷

সম্প্রতি চন্দননগরের সভা থেকে রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে নাম না করে কটাক্ষের নিশানা করেছিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার বিরুদ্ধে গায়কদের থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছিল। শুভেন্দু বলেছিলেন, ‘এখানকার যিনি বিধায়ক (চন্দননগর), এখানকার যিনি ছিন্নমূল বিধায়ক, তিনি যখন যে পার্টি ক্ষমতায় থাকে, তাদের ধরে থাকেন। নন্দীগ্রামে আমরা যখন আন্দোলন করছিলাম, উনি বুদ্ধবাবুর (বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য) পিছনে ঘুরতেন। এখন তৃণমূলে। ইনি গায়ক-গায়িকাদের থেকে সঙ্গীতমেলায় কাটমানি নেন। আমাকে অনেক গায়ক-গায়িকা এ কথা বলেছেন।’ যদিও কোন সে গায়ক-গায়িকা স্পষ্ট করেনি শুভেন্দু।শুভেন্দুর এই বক্তব্যের পর রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন কোনও প্রতিক্রিয়া না দিলেও সরব হয়েছে বাংলার শিল্পীমহল।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ইন্দ্রনীল সেনের পাশে দাঁড়িয়েছেন রূপঙ্কর বাগচি, সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, মনোময় ভট্টাচার্যের মতো স্বনামধন্য গায়করাও।গায়ক রূপঙ্কর বাগচি তাঁর ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। তাতে তিনি লেখেন, ‘সঙ্গীতমেলায় আমি যতবার পারফর্ম করেছি, কোনওবারই কেউ কাটমানি নেয়নি। আর ইন্দ্রনীল’দা আমার সিনিয়র মিউজিশিয়ান। ওঁর কাছ থেকে নানা সময়ে অনেক সঠিক পরামর্শ পেয়েছি’। রূপঙ্কর আরও জানান, তাঁর এই বক্তব্যের নিরিখে তাঁকে যদি কেউ ‘তৃণমূলকর্মী’ হিসাবে চিহ্নিতও করেন, তাহলে তা নিয়ে তাঁর কোনও তাপ-উত্তাপ নেই। তিনি যে ‘অরাজনৈতিক ব্যক্তি’ সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত।

সঙ্গীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বাম আমলেও তিনি কখনও কাটমানির শিকার হননি। এবং ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূলের নতুন সরকার আসার পরও উদ্যোক্তাদের ব্যবহারে কোনও পরিবর্তন আসেনি। ইমনের কথায়, ‘‌২০১১ সালের পর থেকেও গানমেলায় যোগ্য সম্মান আর পারিশ্রমিক পেয়েছি। ইন্দ্রনীলদা শুধু একজন শিল্পী নন, তিনি একজন ভাল মনের মানুষও। তার উদাহরণ আমি বহুবার পেয়েছি।’‌

সঙ্গীতশিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায়ও ফেসবুকে পোস্ট করে জানিয়েছেন, শিল্পীরা গানমেলায় কোনও ভাবেই কাটমানির শিকার হননি। তিনি লিখেছেন, ‘‘আমিও আমার সাম্মানিক সময়মতোই পেয়েছি।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।