প্রধানমন্ত্রী যখন ই গাড়ি থেক নামেন, তখনই তাঁর চারপাশে হন্তদন্ত হয়ে হাঁটতে দেখা যায় একদল নিরাপত্তারক্ষীকে। পরণে ব্ল্যাক স্যুট, টাই, কালো চশমা, কানে ব্লু টুথ ডিভাইস- ঠিক যেন হলিউড সিনেমা থেকে বেরিয়ে আসা একদল লোক। মুখে কোনও তাপ-উত্তাপ নেই। এরা আসলে SPG বা স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ।

কবে তৈরি হল SPG:

১৯৮৫ সালে দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে হত্যা করা হয় প্রকাশ্যে। তখনও পর্যন্ত এসপিজি ছিল না। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকতেন দিল্লি পুলিশের বিশেষ টিম ও পরে আইবি একটি স্পেশাল টাস্ক ফোর্স গঠন করে প্রধানমন্ত্রীদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য। ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর র তৈরি হয় এই এসপিজি।

এসপিজি হল কেন্দ্রের একটি সশস্ত্র বাহিনী। এদের কাজ হল প্রধানমন্ত্রীর একেবারে কাছ থেকে তাঁকে নিরাপত্তা দেওয়া। যেখানে প্রধানমন্ত্রীর সভা হবে, সেখানে যাতে কোনোরকম বাইরের লোক না থাকে, কোনও ধরনের বিপদের সম্ভাবনা না থাকে, সেটা দেখাই মূলত এসপিজি-র দায়িত্ব।

নিয়োগ:
সাধারণত পুলিশ, সিআরপিএফ, বিএসএফ কিংবা সশস্ত্র সীমা বল থেকে এই এসপিজি কমান্ডোদে রিক্রুট করা হয়। এসপিজি হিসেবে কাজের মেয়াদ শেষ হলে আবার পূর্ববর্তী পদে ফিরে যান তাঁরা।

এসপিজি-তে নিয়োগের সময় পরীক্ষা নেন পুলিশের আইজি, দু’জন ডেপুটি আইজি, দু’জন অ্যাসিস্ট্যান্ট আইজি। সেইসঙ্গে থাকে লিখিত পরীক্ষা ও শারীরিক পরীক্ষাও।

বাদ পড়তে পারে ট্রেনিংয়ের পরও:
প্রথম পর্যায়ের ট্রেনিং হয় তিনমাসের। অস্ত্র সহ এবং অস্ত্র ছাযা- দু’ধরনের ট্রেনিং চলে। ট্রেনিং-এ শুধু দৈহিক শক্তি নয়, উপস্থিত বুদ্ধি, কথা বলার ক্ষমতা, শত্রুর উপস্থিতি চিহ্নিত করতে পারার মত তীক্ষ্ণ বুদ্ধিতে শাণ দেওয়া হয়।

তিন মাসের ট্রেনিং-এর পর বাদ যেতে পারেন অনেকে। যাঁরা ক্ষমতা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হন, তাঁদের বাদ দেওয়া হয়। যে কয়েকজন সেরা, তাঁদেরই বেছে নেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য। হয় আরও তিনমাসের ট্রেনিং।

পোশাক:
সাধারণত এই কমান্ডোদের পরণে থাকে কালো সাফারি স্যুট ও টাই। গাড়ি থেকে নামার সময় ক’জন থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে, কজন পোডিয়ামে থাকবেন, সবটাই ছকে নেয় এই এসপিজি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.