হারারে : ফের প্রশ্নের মুখে জীববৈচিত্র্য। জলে বিষক্রিয়ার জেরে হাতির মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বিগ্ন প্রশাসন। কিভাবে একসঙ্গে এত সংখ্যক হাতির মৃত্যু ঘটল তা তদন্ত করে খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে ভারত নয়, মর্মান্তিক ভাবে এত গুলি বন্য প্রাণের মৃত্যু হয়েছে সুদূর আফ্রিকা মহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ আফ্রিকার জিম্বাবুয়ে, বৎসোয়ানা সহ একাধিক অঞ্চলে গত আগস্ট মাসের ২৪ তারিখ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক মাসে প্রায় ৩৪ টি হাতির রহস্য জনক ভাবে মৃত্যু হয়েছে৷ এছাড়াও চলতি মাসে জিম্বাবুয়ের একটি জাতীয় পার্কে ১২ টি হাতি মারা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন সেদেশের সরকারি আধিকারিকরা।

শুধু তাই নয়, বিশ্ব জোড়া করোনা পরিস্থিতির মধ্যে গত জুলাই মাসের শুরু থেকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয় হাতির মৃত্যুর এই ‘অভূতপূর্ব’ ঘটনা। কিন্তু কী কারণে এভাবে এত সংখ্যক হাতির মৃত্যু হচ্ছে, সে সম্পর্কে কেউ কোনও সঠিক তথ্য তুলে ধরতে পারছিলেন না। তবে বর্তমানে হাতি মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করা গিয়েছে বলে দাবি করেছেন সে দেশের বনদফতরের আধিকারিকরা।

জানা গিয়েছে, আফ্রিকা মহাদেশের এত সংখ্যক হাতির মৃত্যুর জন্য দায়ী জলের বিষক্রিয়া। এক ধরনের আণুবীক্ষণিক শেওলা থেকে এ বিষাক্ত পদার্থের উৎপত্তি বলে তাঁদের ধারণা। আফ্রিকার মোট হাতির এক-তৃতীয়াংশ রয়েছে মহাদেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় দেশ বতসোয়ানায়। মে মাসের শুরুর দিকে হাতির মৃত্যুর বিষয়টি প্রথম নজরে আসে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের।

তদন্ত করার পর দেখা যায় ৩৩০টি হাতির মৃত্যু হয়েছে এই কয় মাসে। তবে এসব হাতির মৃত্যুর জন্য চোরাশিকারীরা দায়ী নয় বলে দাবি করেছেন জিম্বাবুয়ের বনদফতরের কর্মীরা। বতসোয়ানার বন্যপ্রাণী ও জাতীয় উদ্যান বিভাগের প্রিন্সিপাল ভেটেরিনারি অফিসার মাদি র‌্যুবেন বলেন, ‘আমাদের সর্বশেষ পরীক্ষায় সায়ানোব্যাকটেরিয়ার বিষক্রিয়াকে দায়ী করা হয়েছে এই সব হাতির মৃত্যুর জন্য। জলে এই ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গিয়েছে।’ সায়ানোব্যাকটেরিয়া হলো একধরনের বিষাক্ত ব্যাকটেরিয়া, জলে প্রাকৃতিকভাবে যার জন্ম হয়। কখনও কখনও নীল-সবুজ শেওলা হিসেবেও বড় আকারে দেখা যায় এ ব্যাকটেরিয়াকে। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন, মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে জলের মধ্যে এই সায়ানোব্যাকটেরিয়া দেখা দিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।