স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সংবিধান বাঁচানোর লড়াই৷ মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় মুখ্যমন্ত্রী৷ আর কিছুক্ষণের মধ্যেই কেন্দ্র রাজ্য সংঘাত নিয়ে শুনানি সুপ্রিম কোর্টে৷ তার আগে মঙ্গলবার সকালে মুখ্যমন্ত্রীর ধর্না মঞ্চ ঘুরে গেলের কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার৷

তৃতীয় দিন সকাল থেকেও অনুগামীদের ভিড় মমতার ধর্নামঞ্চ ঘিরে৷ মঙ্গলবার সকালে ধর্না মঞ্চে আসেন অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী হালদার৷ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে৷

রাতে অনুগামীদের ভিড়ে জমজমাট ছিল ধর্না মঞ্চ৷ প্রমীলা বাহিনীর সংখ্যাও চোখে পড়ার মতো৷ ভোরের আলো ফুটতেই মঞ্চে পৌঁছে যান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা, মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ইন্দ্রনীল সেন, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকরারা৷ রয়েছেন রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেনও৷ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকেও এদিন দেখা যায় মঞ্চে বসে থাকতে৷

বেলা গড়াতেই মঞ্চে প্রবেশ করেন চৌরঙ্গি কেন্দ্রের বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মুখ্যমন্ত্রীর পাসে গিয়ে বসেন তিনি৷ কথা বলতে দেখা যায় মমতা নয়নাকে৷

মমতার ধর্নামঞ্চ আক্ষরিক অর্থেই যেন দ্রষ্টব্য স্থান৷ রপাজ্যের ভিন্ন প্রান্ত থেকে সেখানে ভিড় জমাচ্ছেন মানুষ৷ এদের কেউ শাসক দলের সক্রিয় কর্মী, আবার কেউ এসেছেন মুখ্যমন্ত্রীকে একবার চোখে দেখার জন্য৷ মূহূর্ত ধরে রাখতে সবার হাতে মুঠো ফোন৷ ফ্ল্যাশের সাদা আলোর দ্যূতিতে তখন উজ্জ্বল মঞ্চের বাইরের অংশ৷

মঙ্গলবার সকালেই ধর্নামঞ্চের বাইরে দেখা দার্জিলিং জেলা থেকে আগত বহু মানুষকে৷ মাথায় পাহাড়ি জনজাতির নানা রঙের টুপি পরিহিত তারা৷ শুধু থেলেরাই নয়, হাজির মেয়েরাও৷ তৃণমূল সুপ্রিমোর ধর্না মঞ্চ যেন মহা মিলন ক্ষেত্র৷

সামনেই মাধ্যমিক পরীক্ষা৷ বাজানো যাবে না মাইক৷ তৃণমূলের ধর্না মঞ্চ থেকেও জানিয়ে দেওয়া হয় শুক্রবার থেকে আর মাইক ব্যবহার করা হবে না৷ শহরের প্রাণ কেন্দ্রে ধর্না মঞ্চ৷ যানজট এড়াতে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে দক্ষিণ থেকে উত্তরগামী  ট্রাফিক৷ মাধ্যমিকের সময় যাতে পরীক্ষার্থীরা সমস্যা না পরেন তার জন্য সক্রিয় থাকবেন তৃণমূল কর্মীরা৷

ছবি: মিতুল দাস

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও