নয়াদিল্লি: শুরু হল ভারত রাশিয়ার যৌথ নৌমহড়া ইন্দ্র নেভি ২০২০। বঙ্গোপসাগরের বুকে ঝড় তুলে শুক্রবার থেকে এই নৌমহড়া শুরু করল দুই দেশ। করোনা সংক্রমণের জন্য জারি করা নির্দেশিকা মেনে এই নৌমহড়া নন কনট্যাক্ট,অ্যাট সি অনলি হিসেবে করা হচ্ছে। অর্থাৎ এই মহড়ায় কোনও দেশের সেনা অফিসারই সৌজন্য সাক্ষাত করতে পারবেন না।

দুদিনের মহড়ায় ভারতের তরফে রয়েছে, ডেস্ট্রয়ার রণবিজয়, ফ্রিগেট- সহ্যাদ্রি, করভাট কিলতান, ট্যাঙ্কার শক্তি। রাশিয়ার তরফে থাকছে দুটি ডেস্ট্রয়ার- অ্যাডমিরাল ভিনোগ্রাডোভ ও অ্যাডমিরাল ট্রাইবাটস। থাকছে ট্যাঙ্কার বরিস বুটোমা। এছাড়াও ভারতের তরফে থাকছে নৌবাহিনীর দুটি হেলিকপ্টার। তবে জানা গিয়েছে ফ্রিগেট- সহ্যাদ্রিকে আপাতত শ্রীলঙ্কা উপকূলে এমটি নিউ ডায়মন্ডের উদ্ধারকাজে লাগানো হয়েছে। এমটি ডায়মন্ডে আগুন লেগে যায় দিন কয়েক আগে।

২০০৩ সালে ইন্দ্র নেভি মহড়া শুরু হয়। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় বাড়াতে এই মহড়া চালু করা হয়। দুই দেশের নৌ বাহিনীর মধ্যে সমঝোতা বাড়ানো ও বঙ্গোপসাগরের জলসীমায় নিজেদের উপস্থিতি জোরালো জানান দেওয়াই লক্ষ্য ভারত ও রাশিয়ার। এই নৌ মহড়ার শেষে বিশেষ চুক্তিতে আবদ্ধ হতে পারে দুই বন্ধু রাষ্ট্র বলে সূত্রের খবর।

ইন্দ্র নেভি ২০২০ (Indra Navy 2020) নামের এই নৌ মহড়ার প্রস্তাব রাখে রাশিয়া। এই বছরের শুরুতেই ভারত রাশিয়া নৌ মহড়াটি হওয়ার কথা ছিল। রাশিয়ার ভ্লাদিভোস্তকে মহড়াটি হওয়ার কথা থাকলেও, করোনার সংক্রমণের জেরে তা পিছিয়ে যায়। এবারের মহড়াটি সেখানেই হচ্ছে, যেখানে একমাস আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মহড়া দেয় ভারত।

সারফেস ও অ্যান্টি এয়ারক্রাফট ড্রিলস, ফায়ারিং এক্সারসাইজ, হেলিকপ্টার অপারেশন মতো বেশ কিছু প্রক্রিয়ার মহড়া চলবে ইন্দ্র নেভি ২০২০তে। ভারতীয় নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এই মহড়া দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে যথেষ্ট গভীর করবে।

এরই মধ্যে রাশিয়া সফরে রয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন ও কমনওয়েলথ অফ ইন্ডিপেনডেন্ট স্টেটসের মঞ্চে উপস্থিত থাকবেন রাজনাথ। চিন পাকিস্তান, ছাড়াও এই বৈঠকে থাকছে রাশিয়া, সার্বিয়া ও আফগানিস্তান। রাশিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে তাঁর। ঠিক এমন পরিস্থিতিতে রাজনাথের সঙ্গে আলোচনা চাইছেন চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।