বালি: গোটা বিশ্বে এই মুহূর্তে চলছে করোনা আতঙ্ক। তার মধ্যে ইন্দোনেশিয়াতে আচমকা জেগে উঠল আগ্নেয়গিরি। ওই আগ্নেয়গিরির নাম মাউন্ত সিনাবাং। আর ওই আগ্নেয়গিরি জেগে ওঠার ফলে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল কালো ধোঁয়া এবং ছাই। ইতিমধ্যে বিশেষজ্ঞরা কতটা পরিমাণ পরিবেশ দূষণের হার এই মুহূর্তে বোঝার চেষ্টা করছেন।

নিয়ম মত পৃথিবীর বুকে জেগে থাকা আগ্নেয়গিরি জেগে ওঠে মাঝে মাঝেই। এর আগেও একাধিক দেশের ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি জেগে উঠেছে বহুবার। আর তার ফলে চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে ছাই এবং কালো ধোঁয়া। কিন্তু এই আগ্নেয়গিরি এতটাই ভয়াল ভাবে জেগে উঠেছে যার ফলে ছাই ছড়িয়ে পড়েছে অনেক দূর পর্যন্ত। স্থানীয় এলাকাগুলি ঢেকে গিয়েছে কালো ধোঁয়াতে। অন্তত পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত কালো ধোঁয়ায় ঢেকেছে আকাশ।

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের এই আগ্নেয়গিরি ২০১০ সাল থেকেই গর্জন করে চলেছে। তবে এই ঘটনার জেরে এখন পর্যন্ত কোন হতাহতের খবর সামনে আসেনি। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে সিনাবাং এলাকা যতটা সম্ভব এই মুহূর্তে এড়িয়ে চলা উচিত। অন্যথায় বিপদ হতে পারে। ইতিমধ্যে প্রশাসনের তরফে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এই মুহূর্তে গোটা বিশ্ব করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ে চলেছে। কিন্তু তার মধ্যেই ইন্দোনেশিয়া এই ঘটনার জেরে স্বাভাবিক ভাবেই আর সমস্যার সম্মুখীন। করোনার কারণে সামাজিক দুরত্ব মেনে সব দিক বজায় রাখার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিলেও সকলের সহযোগিতাতে তা করা সম্ভব হয়েছে। ইন্দোনেশিয়াতে এখন একাধিক সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে। আর সেই কারণে এখনও প্রশাসনের তরফে বিষয়টি নিয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।