ইসলামাবাদ: ‘তুমি এক পা এগোলে আমি দু’পা এগিয়ে দেখাবো…’ ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই প্রতিবেশী দেশগুলির সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ইমরান খান। এবার কাজ শুরু করলেন৷ গুরু নানকের ৫৫০ তম জন্মতিথিতে শিখ তীর্থযাত্রীদের জন্য কর্তারপুর সীমান্ত খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল পাকিস্তান সরকার। এই সীমান্ত পাক পাঞ্জাব প্রদেশের নারোয়ালে অবস্থিত।

ইমরান খানের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাঁর ক্রিকেট জীবনের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী নভজোৎ সিং সিধু। নতুন পাক সরকারের কাছে সিধু অনুরোধ করেছিলেন গুরু নানকের জন্মতিথি উপলক্ষে ভারতীয় শিখ যাত্রীদের আরও সুবিধা দেওয়ার৷ সেই অনুরোধ রাখলেন ইমরান খান। ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের মন্ত্রী নভজোৎ সিং সিধু তাঁর এই সিদ্ধান্তকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আগামী বছর নভেম্বর মাসে গুরু নানকের ৫৫০তম জন্মতিথি পালিত হবে৷

তিনি জানিয়েছেন,, ‘আমি আমার বন্ধু ইমরানকে ধন্যবাদ জানাই৷ পাঞ্জাবের মানুষের কাছে এর চেয়ে বেশী আনন্দের কিছু হতে পারে না। লক্ষ লক্ষ শিখের বহুদিনের স্বপ্ন ওই পুণ্যভূমি ঘুরে দেখার, অবশেষে তা পূর্ণ হতে চলেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ধর্ম থেকে রাজনীতিকে সরিয়ে রেখে তাঁর এই সিদ্ধান্ত দুই দেশের দূরত্ব কমাতে সাহায্য করবে। এই প্রথম তীর্থ যাত্রায় সুযোগ পেলে আমিও সামিল হতে চাই। তিনি(ইমরান খান) আমার জীবন সার্থক করে দিয়েছেন’।

এবার নিজেই বিতর্ককে উস্কে দিয়ে বলেছেন, পাকিস্তান সরকারের এই সিদ্ধান্তের সাথে তাঁর এবং পাক সেনাপ্রধান কামার জাভেদ বাজওয়ার ‘আলিঙ্গন’এর কোনও সম্পর্ক নেই। গত
১৮ই অগস্ট ইমরান খানের শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিধু। অনুষ্ঠানে পাক সেনা প্রধান ও সিধুর কোলাকুলি ঘিরে বিতর্ক ছড়ায়।