আগরতলা: জটিলতা কাটিয়ে বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় নদী পথে পণ্য পরিবহণ চালু হচ্ছে। বাংলাদেশের দাউদকান্দি ও ত্রিপুরার সোনামুড়ার মধ্যে অভ্যন্তরীণ নৌপথ চালু হচ্ছে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। এমনই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।

তিনি জানান, সেপ্টেম্বরেই এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত আসছে। প্রতিবেশী বাংলাদেশ থেকে প্রথমবার নৌ পথে ত্রিপুরায় পণ্য আসবে। ফেসবুকে সোনমুড়া ভাসমান জেটির ছবি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, এই জেটির কাজ সম্পূর্ণ। এই জেটি তৈরি হয়েছে গোমতী নদীর উপরে। এই নদী বাংলাদেশ ও ত্রিপুরার সীমান্তে প্রবাহিত। গোমতী গিয়ে এর আগে কোনও দিন বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় নৌ বাণিজ্য হয়নি।

পূর্বতন বামফ্রন্ট সরকারের আমলে এই বাণিজ্যের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সম্প্রতি কলকাতা থেকে বঙ্গোপসাগর পেরিয়ে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে উত্তর পূর্ব ভারতের জন্য পণ্য পরিবহণ শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আগরতলা হয়ে উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি কমবেশি পাঁচশ কিলোমিটারের মধ্যে।

ভারত সরকার এই কারণেই চট্টগ্রাম বন্দরের শুল্ক প্রদান করে পণ্য পরিবহণ করছে। বাংলাদেশ থেকে গোমতী নদী পথে ত্রিপুরা হয়ে পণ্য পরিবহণের ।

বিষয়ে ঢাকার সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, গত মে মাসে ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাশ ও বাংলাদেশের নৌ সচিব মহ. মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরীর মধ্যে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির অন্তর্গত ছিল সোনামুড়া-দাউদকান্দি নৌ পথ।

এর পরে ৪ জুলাই ভারত-বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ প্রকল্পের জন্য গোমতী নদীর ওপর উদ্বোধন করা হয় এক ভাসমান জেটির। গোমতী নদীর এই নৌ বাণিজ্যের জলপথ ত্রিপুরার সিপাহিজলা জেলার সোনামুড়া থেকে বাংলাদেশের কুমিল্লার দাউদকান্দি পর্যন্ত ৯৩ কিলোমিটার দীর্ঘ।

নৌপথের ৮৯ কিলোমিটারের বেশি বাংলাদেশে আর বাকি ভারতে। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব জানান, গোমতী নদীপথে সোনামুড়া থেকে বাংলাদেশের কুমিল্লার দাউদকান্দি পর্যন্ত পরীক্ষামূলক নৌ চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে। ঢাকা থেকে বার্জে চেপে সোনামুড়া হয়ে ত্রিপুরায় পৌঁছাবে ৫০ মেট্রিক টন সিমেন্ট। ত্রিপুরার ইতিহাসে এর আগে জাহাজে চেপে কোনো পণ্য পৌঁছায়নি।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।