ফাইল ছবি

বহরমপুর:  ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে তিন সন্দেহজনক ব্যক্তির। মৃত তিনজন গরু পাচারর সঙ্গে জড়িত বলে মনে করা হচ্ছে। বিএসএফ সূত্রে খবর, পাচারকারীদের কাছে থাকা বোমাই বিস্ফোরণ ঘটেছে। আর তাতেই ওই তিনজনক সন্দেহভাজন ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর মোতাবেক বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গরু পাচার রুখতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী সবসময় তৎপর। সেই মতো সীমান্তে হাই-অ্যালার্ট জারি ছিল। কিন্তু সীমান্তের দিকে থাকা সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিদের লক্ষ্য করা মাত্র তাদেরকে দাঁড়াতে বলেন বিএসএফ জওয়ানরা। এরপরেই সেখানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে সূত্রে জানা গিয়েছে।

বিএসএফ জানাচ্ছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে চোরাচালান করার জন্য অনেক সময়েই চোরাচালানকারীরা তাঁদের সঙ্গে থাকা পশুর ঘাড়ে সকেট বোমা বেঁধে রাখে। যখনই বিএসএফের নজরে পাচারকারীরা পড়ে যায় তখনই সেগুলি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দেয় বলে দাবি সীমান্তরক্ষী বাহিনীর। এই ঘটনার পর সীমান্তে জওয়ানদের অ্যালার্টে রাখা হয়েছে বলে বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত গত কয়েকদিন আগে ইলিশ মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। এক মৎস্যজীবীকে ছাড়িয়ে আনতে বিজিবির সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে বিএসএফ। যদিও বিএসএফের তরফে কোনও গুলি ছোঁড়া হয়নি। উলটে বিজিবি’র ছোঁড়া গুলিতে মৃত্যু হয় বিএসএফের এক কর্তব্যরত জওয়ানের। ঘটনায় গুরুতর আহত হন আরও এক জওয়ান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। আর সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ফের সীমান্তে উত্তেজনা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।