নয়াদিল্লি: আপাতত চিন থেকে দূরে থাকাই যেন করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচার পথ৷ ইতিমধ্যেই চিনে ১৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ আক্রান্ত ৬ হাজারের বেশি৷ ৩০টি দেশে করোনা ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা৷ আতঙ্কে এবার ভারত থেকে চিনে উড়ান বাতিল করল এয়ার ইন্ডিয়া ও ইন্ডিগো৷

বুধবার এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আগামী ৩১ জানুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি দিল্লি- সাংহাই রুটের সমস্ত উড়ান বাতিল করা হল৷ এরপরই ইন্ডিগোর তরফ থেকেও ঘোষণা করা হয় যে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি দিল্লি- চেংডু রুটের সমস্ত উড়ান বাতিল করা হল৷

এদিন ইন্ডিগোর তরফ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়,এই মুহূর্তে চিনে করোনা ভাইরাস যে ভয়াবহ আকার ধারন করেছে তাতে আমাদের যাত্রী ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা একান্ত প্রয়োজনীয়৷ তাছাড়া কয়েকদিন ধরেই প্রচুর পরিমাণে চিনের উড়ানগুলির টিকিট বাতিল করা হচ্ছিল৷ তাই আপাতত কয়েকদিনের জন্য চিনের উড়ানগুলি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে৷

অন্যদিকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পর করোনা ভাইরাস নিয়ে সতর্কতা জারি করল কেন্দ্রীয় জাহাজ পরিবহন মন্ত্রক৷ দেশের বিভিন্ন বন্দরে জারি করা হয়েছে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি৷ সেই তালিকা থেকে বাদ যায়নি কলকাতা ও হলদিয়া বন্দরও৷ দু’টি বন্দরেই বসানো হয়েছে ইনফ্রারেড থার্মাল স্ক্যানার৷

কলকাতা বন্দরের ট্রাফিক ম্যানেজার হিমাংশু শেখর জানান, প্রতিদিন গড়ে কমপক্ষে ৩৫০ জনকে খিদিরপুর ও হলদিয়া বন্দরে পরীক্ষা করা হবে৷ যে সমস্ত কর্মী এই কাজ করবেন তাদের জন্যেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে৷ বুধবার সকালেই এসেছে প্রায় ১০০০ গ্লাভস ও মাস্ক৷ এছাড়া যারা মাল ওঠানো নামানোর কাজ করেন তাদের জন্যেও থাকছে গ্লাভস ও মাস্ক৷ তাছাড়া হলদিয়াতে বন্দরের যে নিজস্ব হাসপাতাল আছে তাতে তৈরি করা হয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ড৷