স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: জমির সব অংশীদারিদের সঙ্গে কথা বলেই প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। দেউচা-পাঁচমি কয়লা খনিতে আদিবাসীদের ক্ষোভ ঢাকতে এমনই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বৃহস্পতিবার দেউচা-পাঁচমিতে আদিবাসীদের সঙ্গে প্রাথমিক বৈঠক করলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা। ওই বৈঠকে কয়লা খনিতে আদিবাসীদের ১০০ শতাংশ পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। কিন্তু মুখ্যসচিবের আশ্বাসে সন্তুষ্ট নন আদিবাসীদের একটা বড় অংশ।

বৈঠকে আদিবাসীরা মুখ্যসচিবকে বলেন, কয়লাশিল্পের পাশাপাশি পাথরশিল্পের ভবিষ্যত সুনিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া জমির সঠিক মূল্য দিতে হবে। সঙ্গে চাকরি দিতে হবে। এরপরই টুইট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, জমির সব অংশীদারিদের সঙ্গে কথা বলেই প্রকল্পের কাজ এগিয়েছে রাজ্য সরকার।

এদিন মুখ্যসচিবের বৈঠকে অনিচ্ছুক আদিবাসীরা দাবি-দাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের এই বৈঠকে আসতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ৷ সেই কারণে আদিবাসীদের হুমকি, দাবি না মানা হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যাবেন তাঁরা। জমি দিতে অনিচ্ছুক আদিবাসীরা বৃহস্পতিবার বীরভূমের অতিরিক্ত পুলিস সুপারের কাছেও স্মারকলিপি জমা দেন।

বৈঠক শেষে রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা বলেন, “প্রাথমিক পর্যায়ে ৬০০ থেকে ৭০০ একর জমিতে এই কাজ শুরু করা হবে। পরে সাড়ে ৩ হাজার একর জমিতে এই কাজ হবে৷ আদিবাসী বা জমি মালিরদের ১০০ শতাংশ পুনর্বাসন দেওয়ার পরই শুরু করা হবে এই প্রকল্পের কাজ। এই প্রকল্পে কোন বেসরকারি সংস্থা কাজ করবে না। এটা সরকার করবে। কমপক্ষে ৪ ধাপে এই প্রকল্পের কাজ হবে ।“ আদিবাসীদের বিক্ষোভের বিষয়ে মুখ্যসচিবকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “এই বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।”

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ