বিশাখাপত্তনম: দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম অ্যান্টি সাবমেরিন রণতরী ‘আই এন এস কামোর্তা’।

আই এন এস কামোর্তা প্রথম ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ যা তৈরি হয়েছে কার্বন ফাইবার সমৃদ্ধ প্লাস্টিক দিয়ে। নৌ বাহিনীর ‘ডিরেক্টরেট অফ নেভাল ডিজাইন’-এর নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি এই যুদ্ধজাহাজ ছোট মিসাইল বহনে সক্ষম। সাবমেরিন ধ্বংস করতে পারে এমন একটি হেলিকপ্টারও বহন করতে পারবে এই জাহাজ।

যুদ্ধজাহাজটি ভারতীয় নৌবাহিনীর কামোর্তা ক্লাসের করবেট শ্রেণীর জাহাজ। ২০০৬ সালের নভেম্বর মাসে এটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু এখন ভারতীয় ভুখন্ডে নজরদারি চালাতে ব্যস্ত রয়েছে এই যুদ্ধ জাহাজ। একেবারে সামরিক যুদ্ধাস্ত্রে সজ্জিত এটি।

ছোট ধরনের হালকা যুদ্ধাস্ত্রবহনকারী জাহাজকে ‘করবেট’ বলা হয়।

ভারতীয় নৌবাহিনী তাদের পি-২৮ প্রকল্পে ‘করবেট’ এধরনের কামোর্তা ক্লাসের চারটি যুদ্ধ জাহাজ তৈরি করবে।

২৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি ৩২ নটিক্যাল মাইল গতিবেগের আই এন এস কামোর্তা সম্পূর্ণ ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক সাবমেরিন ধ্বংসকারী যুদ্ধ জাহাজ। ১১০ মিটার দৈর্ঘ্যের যুদ্ধ জাহাজে রয়েছে টোড অ্যারে ডিকয় সিস্টেম(আটিডিএস)।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।