ঢাকা: সীমান্তের ওপারে পশ্চিমবঙ্গের করোনা সংক্রমণ কিছুটা কমলেও ভারতের এই অঙ্গরাজ্য সরকার এখনই কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ। ফলে বাতিল হয়েছে যাবতীয় পরীক্ষা। পশ্চিমবঙ্গের লাগোয়া বাংলাদেশের সব জেলা ও উপজেলায় করোনার ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্ট (ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট)সংক্রমণ বাড়ছে। দেশজুড়ে সংক্রমণ বেড়েছে। এই অবস্থায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক সূত্রে খবর, শহরের পাশাপাশি মফস্বলেও করোনার ডেল্টা সংক্রমণ বেড়েছে। টিকাকরণের কাজ চলেছে। তবে বহু মানুষ এখনও টিকার আওতায় আসেননি। এর ফলে সংক্রমণের গতি বাড়বে বলেই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চল্লিশ বছরের কম বয়সের শিক্ষক, শিক্ষিকা ও কর্মচারীদের টিকা দেওয়া পুরো সম্ভব হয়নি। এসব কারণে পূর্ব নির্ধারিত ১৩ জুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নাও খুলতে পারে। যদিও শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এখনই এই বিষয়ে কিছু বলেননি। তবে করোনা সংক্রমণ জনিত বিধিনিষেধ আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত ফের বাড়িয়েছে সরকার।

গত বছরের ১৭ মার্চ দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। করোনা সংক্রমণ ৫ শতাংশের নিচে না নামলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলার যুক্তি আগেই দিয়েছে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির। সোমবার পর্যন্ত শনাক্তের হার সাড়ে ১১ শতাংশ নথিভুক্ত করা হয়। এটি গত দু মাসের মধ্যে সর্বাধিক। এই অবস্থায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়বে বলেই ধারণা।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ডা দীপু মনির আলোচনা হয়। পরে শিক্ষা মন্ত্রী জানান, ১৩ জুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি খুলতে পারে। তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে আমরা যে তারিখই নির্দিষ্ট করি না কেন, অবস্থা অনুকূলে না এলে মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে অবশ্যই আমরা কোনও ঝুঁকি নেব না।

শিক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, কর্মকর্তারা জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) নিয়মে কোনও এলাকার সংক্রমণ ৫ শতাংশের নিচে নেমে এলে সেখানকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া যায়। বাংলাদেশে সংক্রমণ ফের ঊর্ধ্বমুখী। যেহেতু করোনাভাইরাসের ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্ট বা ডেল্টা ধরন ছড়িয়ে পড়ছে, তাই ভারতের মতো সংকট এড়াতে সরকারকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.