নয়াদিল্লি : এক সপ্তাহে দুকোটি ভ্যাকসিন নিলেন মানুষ। সব মিলিয়ে সংখ্যাটা এখন ১৩ কোটি। এমনটাই জানাচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য। ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে ১৩ কোটি ২৭ হাজার ৩৭০ জনকে। ৭১হাজার ৫১টি কেন্দ্র থেকে দেওয়া হচ্ছে ভ্যাকসিন। বেড়েছে ২৬হাজার ভ্যাকসিন প্রদানকারী কেন্দ্রের সংখ্যা। এর মধ্যে ৯২ লক্ষ ১হাজার ৪০ জন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়েছেন ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ।

৫৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৫৩৮ জন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়েছেন ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ। ১কোটি ১৫ লক্ষ ৫৯ হাজার ২১৮ জন ফ্রন্ট লাইন কোভিড যোদ্ধা নিয়েছেন ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ। ৫৮ লক্ষ ৫২ হাজার ৬৬৯ জন নিয়েছেন ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ। ৪কোটি ৩৪লক্ষ ৮৫ হাজার ৭৫২ জন ৪৫ থেকে ৬০ বছর বয়স্ক মানুষ ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন।

গত সপ্তাহে ছিল টিকা উৎসব। এর ফলে ইতিমধ্যেই ১১ কোটি মানুষের কাছে করোনা টিকা পৌঁছে দিতে পেরেছে বকে কেন্দ্র দাবী করেছিল। গত বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছিল চার দিন ব্যপী চলা টিকা উৎসবে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ টিকা নিতে পেরেছেন।

গত রবিবার থেকে এই উৎসব শুরু হয়। ১৪ এপ্রিল অর্থাৎ বুধবার সেই উৎসব শেষ হয়। সর্বোচ্চ সংখ্যক যোগ্য লোককে টিকা দেওয়াই হল এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল বলে জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্দেশে এই বিশেষ টিকাদান অভিযান শুরু হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ১০ কোটি টিকা দেওয়া প্রথম দেশ ভারত। ৮৫ দিনের মধ্যে এই গণ্ডি পার করে ভারত। যার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিনের মতো দেশকে পিছনে ফেলে দেয় ভারত। উল্লেখ্য, ভারতে টিকাকরণ শুরু হয়েছিল ১৬ জানুয়ারি। দৈনিক হারে ভারতে প্রায় ১০ লক্ষ ৭৭ হাজার মানুষ করোনা টিকা পাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় একটি গ্রাফ টুইট করে বলা হয়েছিল যে, ‘ভারত টিকাকরণে দ্রুততম দেশ হিসাবে উঠে এসেছে। স্বল্প সময়ের মধ্যে এই মাইলফলক ছুঁতে পেরেছে। এটিই ভারতকে স্বাস্থ্যকর এবং কোভিডমুক্ত ভারত গড়তে মুখ্য ভূমিকা নেবে।’

ইতিমধ্যেই করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে একাধিক রাজ্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। দেশের মধ্যে করোনার সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্রে। সেখানে এখন চলছে লকডাউন। দিল্লির পরিস্থিতিও এক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.