মেলবোর্ন: বছর শেষে বিরাট কোহলিদের অস্ট্রেলিয়া সফরের ছাড়পত্র দিল অস্ট্রেলিয়া সরকার৷ টিম ইন্ডিয়া এই বছরের শেষের দিকে অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণ করবে। চলতি আইপিএল শেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে সিডনি পৌঁছে যাবে বিরাট অ্যান্ড কোং৷

কোয়রান্টিনে থাকা অবস্থাতেও অনুশীলন করতে পারবেন কোহালি-রোহিত-শামিরা। ভারতীয় ক্রিকেটারদের দুশ্চিন্তা কমিয়ে বৃহস্পতিবার একথা জানিয়ে দিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। আইপিএল শেষ হতেই শুরু হবে ভারতের অস্ট্রেলিয়া সফর। ভারতীয় এবং অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটাররা আইপিএল শেষ করে পৌঁছে যাবেন ক্যাঙারুদের দেশে। কিন্তু সেখানে ক্রিকেটারদের কোয়রান্টিনে থাকবেন ১৪ দিন।

অস্ট্রেলিয়া সফরে ভারত চারটি টেস্ট, তিনটি ওয়ান ডে এবং তিনটি টি-২০ খেলতে নামবে দুই দল। ২৭ নভেম্বর থেকে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজটি নিয়ে সফরটি শুরু হবে। ওয়ান ডে সিরিজের সব ম্যাচগুলি হবে সিডনিতে৷ তারপর দুই দল তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম টি-২০ ম্যাচ খেলতে ক্যানবেরা উড়ে যাবে৷ তারপর। টি-২০ সিরিজের বাকি দু’টি ম্যাচের জন্য তারা ফের সিডনিতে ফিরে আসবে।

তারপর শুরু হবে টেস্ট সিরিজ৷ চার টেস্টের সিরিজ শুরু হবে ১৭ ডিসেম্বর৷ সিরিজের প্রথম টেস্ট ১৭ ডিসেম্বর অ্যাডিলেডে৷ এই টেস্টটি হবে ডে-নাইট৷ তারপর ঐতিহাসিক মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে হবে বক্সিং ডে টেস্ট৷ তবে বক্সিং ডে টেস্টের ব্যাক-আপ ভেন্যু হিসেবেও রাখা থাকছে অ্যাডিলেডকে৷ সিরিজের শেষ দু’টি টেস্ট হবে সিডনি ও ব্রিসবেন৷

নিউ সাউথ ওয়েলস সরকার বৃহস্পতিবার কোয়ারেন্টাইন প্রোটোকলকে অনুমোদন দিয়েছে। তবে ক্রিকেটারদের স্ত্রী এবং গার্লফ্রেন্ডরা দলের সঙ্গে ভ্রমণ করতে পারবেন না। চলতি আইপিএলের জন্য, ক্রিকেট বোর্ড অফ কন্ট্রোল বোর্ডকে স্ত্রীদের সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে ভ্রমণের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজিদের উপর ছেড়ে দেয়৷

শেষবারের মতো টিম ইন্ডিয়া একটি পূর্ণাঙ্গ সফরে অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণ করেছিল৷ তারা প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ জিতে ইতিহাস তৈরি করেছিল কোহলি অ্যান্ড কোং৷ ভারত চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল৷ ২০১৯ সালে প্রথম খেলাটি হেরে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।