লে: ইন্দো-চিন সীমান্ত সংঘর্ষের পারদ শেষ কিছুদিনে একধাক্কায় বেড়ে চলেছে। একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পরেও মেলেনি সুরাহা। তবে ভারত বারবারই সমাধান চেয়ে এগিয়ে গিয়েছে। লাইন অফ কন্ট্রোলে দ্রুত শান্তি ফেরাতে ভারতের কার্যকলাপ এবং স্পষ্টবার্তা বিশ্বের দরবারে প্রশংসা পেয়েছে।

ভারতের তরফে একাধিক দায়িত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। লাইন অফ কন্ট্রোলে সমস্যা মেটাতে উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। বিশ্বের প্রায় সব দেশের সমর্থনও কুড়িয়েছে। যত সময় এগিয়েছে আগ্রাসী মনোভাব বেড়েছে চিনের।

ঠিক তারপর একাধিক বৈঠকের পরেও চিন সেনা সরাতে রাজি হয়নি বরং ভারতের ভূখন্ডে নিজেদের ঘাঁটি ক্রমশ শক্ত করতে নানা কুটকৌশল দেখিয়েছে লাল চিন। তবে চিনকে রুখতে ভারতের নানা প্রচেষ্টা প্রশংসিত হয়েছে পৃথিবীর বুকে।

শুধু তাই নয়, বেজিংয়ে উপস্থিত থেকে যারা ভারত-চিন সম্পর্কের দেখাশোনার দায়িত্বে রয়েছেন তাঁরাও চাইছেন যে ভারত-চিন সম্পর্কের চাপ দ্রুত কম হয়ে যাক। ভারতের কাছে জাতীয় সুরক্ষার দিকটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সে বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিতে সক্ষম হয়েছে ভারত।

ইন্দো-চিন সীমান্ত সম্পর্কের ইতিহাসে ৪৫ বছর পরে এমন রক্তক্ষয় হয়নি সীমান্তে। চিনের সঙ্গে কোনভাবেই সমঝোতায় পৌঁছনো সম্ভব হচ্ছে না দেখে শুক্রবার হঠাত করেই লে পৌঁছে গিয়েছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং সঙ্গে ছিলেন চিফ অফ ডিফেন্স বিপিন রাওয়াত।

চিনের সঙ্গে আলোচনা ঠিক কতটা ফলপ্রসু হয়েছে তা নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। শুক্রবারের অঘোষিত এই সফরে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছে গিয়েছিলেন লাদাখের নিমু অঞ্চলে। সেখানে ভারতীয় সেনা, ভারতীয় নৌসেনা এবং ইন্দো-তিব্বত পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। তাঁদের মনের জোর বাড়াতেই এমন সফরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মোদী।

জুলাইয়ের ১ তরিখ তৃতীয়বারের জন্য কর্পস কম্যান্ডার স্তরে বৈঠক করেছে ভারত-চিন। সীমান্ত সংঘর্ষে একের পর এক আলোচনা বেশ অনেকটা নজরকাড়া হলেও তা বিশেষ ফলপ্রসু হয়নি। উলটে চাপ ক্রমশ বেড়েই চলেছে। মঙ্গলবার শেষরাতের এই বৈঠক ১২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলেছে এবং রাত ১১টার পরে তা শেষ হয়েছে। পরিস্থিতিতে চাপানউতর এতটাই বেশি যে, গত ৭২ ঘন্টায় বেশ অনেকটা বেড়েছে সেনা মোতায়েন।

চিন ক্রমশ নিজের শক্তি প্রদর্শন করতে ভেতরের দিকে ঘাঁটি তৈরি করতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ফিংগার-৪-এর ভেতরে স্থায়ীভাবে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে চিন। ভারতকে চাপে রাখতে এক-এক ধাপ এগিয়ে আসছে চিন। তবে ভারতের জাতীয় সুরক্ষার দিকে নজর দিয়ে অবৈধভাবে যারা ভারতীয় ভূখন্ড দখল করছে তাঁদের জন্য কঠোর বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ আনতে চলেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ