নয়াদিল্লি: ডঃ জোশেফ মার থোমা মেট্রোপলিটনের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বক্তব্য রেখেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানেই জানিয়েছেন ভারতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের সুস্থতার হার বাড়ছে।

শুক্রবার বক্তব্য রাখতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন, “২০২০ সালের শুরুর দিকে কিছু মানুষ মনে করেছিলেন ভারতে করোনা ভাইরাসের প্রভাব ভয়াবহ হতে চলেছে। লকডাউনের জন্য সরকারের তরফে বেশ কয়েকটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং সাধারণ মানুষই মোকাবিলা করেছে। পৃথিবীর যেকোনও দেশের তুলনায় ভারত অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছে। দেশে সুস্থতার হার বাড়ছে”।

শুক্রবার একটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ডঃ জোশেফ মার থোমা মেট্রোপলিটনের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বক্তব্য রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, সেখানেই দেশের বিষয়ে এমন মন্তব্য করেছেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে দেশ এবং বিদেশের মার থোমা চার্চের একাধিক অনুরাগী অংশগ্রহণ করেছিলেন।

ডঃ জোশেফ মার থোমা সম্পর্কে মোদী বলেছেন, “আমি আমার অভিনন্দন জানাই, আমি ওনার দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস্থ্য কামনা করি। বিশেষ করে সমাজ এবং দেশের উন্নতি জন্য অবদান বেশ অনেকটা। দারিদ্রতা এবং নারীদের উন্নতিতে তার অবদান অপরিসীম”।

এছাড়াও আট কোটি পরিবার ধোঁয়াবিহীন রান্নাঘর পেয়েছে। ১.৫ কোটির বেশি বাড়ি বানিয়ে আশ্রয়হীনদের জায়গা দেওয়া হয়েছে। পৃথিবীর মধ্যে ভারতেই সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্যপ্রকল্প আয়ুষ্মান ভারত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার ১৭ হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হওয়ায় ৫ লক্ষের গণ্ডি পেরিয়ে গেছে দেশ। শেষ ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হলেন ১৮ হাজার ৫২২ জন। আরও মৃত্যু হয়েছে ৩২৪ জনের।

দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্রের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৫২ হাজারের বেশি মানুষ। দেশজুড়ে মোট মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে ১৫, ৩০১। এই নিয়ে টানা ৭ দিন দেশে ১৪ হাজারের বেশি মানুষ প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছেন।

মহারাষ্ট্রে শেষ ২৪ ঘন্টার করোনার জেরে মৃত্যু হয়েছে ১৭৫ জনের। শুক্রবার অবধি শুধুমাত্র মুম্বইয়ে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৭২ হাজারের বেশি মানুষ। অন্যদিকে দিল্লিতেও পরিস্থিতি এখনও সংকটপূর্ণ। শেষ ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪৬০ জন। যার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৭৭ হাজারে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ