নয়াদিল্লি: গত শনিবার থেকে দেশজুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে টিকাকরণ৷ কিন্তু এই পাঁচ দিনে টিকা নেওয়ার পরিসংখ্যান যথেষ্ট উদ্বেগজনক৷ অগ্রাধিকারের তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও টিকা নিয়ে আসেননি বহু মানুষ৷ তবে এখনও পর্যন্ত ভারতে ৮ লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক৷

টিকা নেওয়ার পর ৫৮০ জনের শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে বলে সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়৷ বুধবার মন্ত্রক জানায়, করোনার প্রথম ডোজ নেওয়ার পর চারজনের মৃত্যু হয়েছে৷ কিন্তু এর মধ্যে তিন জনের মৃ্ত্যু ভ্যাকসিনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়৷ চতুর্থ জনের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এখনও হাতে আসেনি৷

এরই মধ্যে দিল্লি, মুম্বই এবং দেশের অন্যান্য প্রান্ত থেকে মিলেছে কম টিকাকরণের খবর৷ মানুষের মধ্যে টিকা নিয়ে এখনও দ্বিধা রয়েছে৷ এর পিছনে দুটি কারণ রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ প্রথমত, ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে৷ কারণ এখনও কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের ফলাফল জানা যায়নি৷ দ্বিতীয়ত, কোভ্যাক্সিন না কোভিশিল্ড, স্বাস্থ্যকর্মীরা কোনটা নেবে তা সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার নেই তাঁদের হাতে৷

আরও একটি বিষয় মানুষের টিকা নেওয়া পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে, আর সেটা হল ভারতের চিরাচরিত প্রথা ‘পহেলে আপ’ বা ‘প্রথমে আপনি’! যার অর্থ আপনার পিছনে থাকা মানুষকে সম্মান জানিয়ে সামনে এগিয়ে দেওয়া৷ এক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে একটি বিষয় কাজ করছে৷

আর সেটা হল, যাঁরা ভ্যাকসিন নিয়েছে তাঁদের মধ্যে কোনও বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় কিনা তা দেখা৷ আর এই যাচাই করতে গিয়েই বাধা পাচ্ছে টিকাকরণ প্রক্রিয়া৷ প্রথম পর্যায়ে ৩০ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল কেন্দ্র৷

এ নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই যে ভারতকে দ্রুত গতিতে এই কাজ করতে হবে৷ প্রথম সারির চিকিৎসকরা ইতিমধ্যেই সামনে এগিয়ে এসেছেন৷ বাকিদেরও এগিয়ে আসতে হবে৷ ‘পহেলা আপ’ বলে আর বেশি সময় নষ্ট করতে পারবে না ভারত৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।