নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে করোনার মাঝে চরম সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে অক্সিজেনের অপ্রতুলতা। তবে অক্সিজেনের এই সংকট আগামী মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই কাটতে চলেছে বলে জানা যাচ্ছে।

বিগত কয়েকদিন ধরেই সারা দেশে দেখা দিয়েছে অক্সিজেনের সংকট। এর মধ্যে দিল্লি, মুম্বই ইত্যাদি শহরে একাধিক হাসপাতালে অক্সিজেনের সংকট চরমে পৌঁছায়। বেশ কিছু হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে রোগীদের মৃত্যু হওয়াও শুরু হয়।

অক্সিজেন সরবরাহকারী এক কোম্পানির কর্তা জানিয়েছেন, যেহেতু কেউ এর জন্য আগে থেকে প্রস্তুত ছিল নাক, তাই এই সংকট দেখা দিয়েছে। তবে একই সঙ্গে তাঁর বক্তব্য, তিনি আশা করছেন মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই পরিষেবা ছড়িয়ে দিতে পারবেন।

আরও খবর পড়ুন – করোনাকালে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন শ্রাবন্তী, প্রকাশ করলেন হেল্পলাইন নম্বর

অন্যদিকে ভারতকে অক্সিজেন সাপোর্ট দিতে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে আমেরিকাও। এয়ারক্রাফট সি ১৭ গ্লোবমাস্টার নামের বিমানে শুক্রবার ভারতকে সাহায্য পাঠিয়েছে আমেরিকা। এই বিমানে ভারতকে অক্সিজেন সাপোর্ট, অক্সিজেন কনসেনট্রেটর, অক্সিজেন জেনারেশন ইউনিট, পিপিই, ভ্যাকসিন ম্যানুফেকচারিং সাপ্লাই, রাপিড ডায়গনেস্টিক টেস্ট, থেরাপিউটিক্স এবং পাবলিক হেলথ আসিস্টেন্স পাঠিয়েছে আমেরিকা।

একই সঙ্গে কাজ করছে ভারতীয় বিমান বাহিনীও। বিভিন্ন দেশ থেকে সাহায্য তুলে নিয়ে আসছে ভারতে। আইএএফ সি১৭ বিমান তিনটে অক্সিজেন কন্টেনার নিয়ে আসে সিঙ্গাপুর থেকে পানাগড়ে। ৬টি এমন কন্টেনার এসে পৌঁছায় দুবাই থেকে। ব্যাংকক থেকেও এমন তিনটি কন্টেনার আসছে পানাগড়ে।

আরও খবর পড়ুন – মাত্র ১০০ দিনেই মজবুত হয়েছে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক, দাবি বাইডেন প্রশাসনের

একদিকে যেমন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে অক্সিজেন সংগ্রহের কাজ হচ্ছে, তেমনই এলাকাভিত্তিক ভাবে নানান স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কাজ করে চলেছে। অক্সিজেন সংগ্রহ থেকে শুরু করে, সেই অক্সিজেন পীড়িতদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছেও কড়া ভাবে।

সব মিলিয়ে দেশের এই ভয়াবহ সংকটের মধ্যে কাজ চলছে আন্তর্জাতিক স্তরর থেকে শুরু করে একেবারে আঞ্চলিক স্তরে। এর মধ্যে বিদেশ থেকে সাহায্য আসায়, আশা করা হচ্ছে এবার দ্রুত মিলবে অক্সিজেনের সংকট থেকে মুক্তি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.