নয়াদিল্লি : স্বনির্ভরতা। সামরিক ক্ষেত্রে ক্রমশ আত্মনির্ভর হচ্ছে ভারত। সেই লক্ষ্যেই বুধবার পোখরান রেঞ্জে অ্যান্টি ট্যাংক গাইডেড মিসাইল নাগ সফল ভাবে উৎক্ষেপণ করল ভারত। থার্ড জেনারেশন অ্যান্টি ট্যাংক গাইডেড মিসাইলটির শেষ পরীক্ষা হল এদিন।

ডিআরডিওর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এবার সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি এই মিসাইলের উৎপাদন শুরু হবে। এই মিসাইল যে কোনও পরিস্থিতিতে শত্রুর প্রতিটি টার্গেটকে ধ্বংস করতে পারে৷ ডিআরডিও সূত্রের খবর, এই মিসাইল, ছবির মাধ্যমে সঙ্কেত পেয়ে টার্গেট স্থির করে নিতে পারে৷

এমনকি শত্রু ট্যাংকের পিছু নিয়ে তাকে ধ্বংসও করতে পারে৷ এই মিসাইল এতোটাই হালকা যে একে পাহাড়ি এলাকায় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যেতে কোনও অসুবিধা হবে না৷ মাত্র ৪২ কিলো এর ওজন বলে জানা গিয়েছে৷ এখনও পর্যন্ত এর জন্য ৩৫০কোটির বেশি টাকা ব্যয় হয়েছে৷

প্রায় ১০বছর পর্যন্ত এটি টানা ব্যবহার করা যেতে পারে৷ এই মিসাইলের ৮ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক বহন করার ক্ষমতা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেনা সূত্রের খবর, এই অ্যান্টি ট্যাংক গাইডেড মিসাইলটি দুটি ভিন্ন রেঞ্জের টার্গেটকে সফলভাবে হিট করে৷

চিন সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই ভারতের একের পর এক মিসাইল পরীক্ষা বেজিংকে চাপে রেখেছে বলেই মনে করছেন সমর বিশেষজ্ঞরা। রাজস্থানের পোখরানের ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে এর পরীক্ষা হয়। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি এই মিসাইল প্রস্তুত করেছে ডিআরডিও।

দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি স্টেলথ ডেস্ট্রয়ার দিয়ে সফল উৎক্ষেপণ ব্রহ্মসের

গত দেড় মাসে ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা প্রায় ১২টি মিসাইল সফলভাবে পরীক্ষা করেছে। তবে নাগ মিসাইলটি যে কোনও দেশের ট্যাংক ধ্বংস্ব করতে সক্ষম।

সেনা জানিয়েছে এই মিসাইলটি কেরিয়ার থেকে বের হওয়ার পরে ৪ কিমি থেকে ৭ কিমির মধ্যে যে কোনও লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল ভাবে আঘাত করতে সক্ষম।

নাগ মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইজরায়েলের কাছ থেকে আর মিসাইল কেনার প্রয়োজন পড়বে না। এটি দিন বা রাত, যে কোনও সময়ে কাজ করতে সক্ষম।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।