নয়াদিল্লি: বণিকসভা ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান চেম্বারস অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ফিকি)-র অভিমত ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি সংকোচন হবে ৮ শতাংশ। ফিকির করা ইকোনমিক আউটলুক সার্ভে-তে দেশের নেতৃত্বে থাকা বিভিন্ন শিল্প সংস্থা, ব্য়াংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে থাকা অর্থনীতিবিদদের অভিমত নেওয়া হয়েছে । এই সমীক্ষাটি করা হয়েছে জানুয়ারি মাসে।

মাঝারি বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে কৃষি এবং তার সহযোগী ক্ষেত্রের, যা ২০২০-২১ সালের জন্য ৩.৫ শতাংশ ধরা হচ্ছে। এই বণিকসভাটি জানিয়েছে ,এই অতি মহামারীর মুখোমুখি হয়েও কৃষি ক্ষেত্র ত্যৎপর্যপূর্ণ ভাবে স্বাভাবিক অবস্থায় থাকার প্রমাণ দিয়েছে এবং উচ্চ রবি শস্য,ভাল বর্ষা, জলধারণের স্তর উঁচুতে থাকা ও ট্রাক্টর বিক্রি ভাল হওয়াটা ইঙ্গিত করছে এই ক্ষেত্রটির ভেসে থাকার।

করোনা ভাইরাসের জন্য লকডাউন জারি করায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিল্প এবং পরিষেবা ক্ষেত্র , এই দুটিতে ২০২০-২১ সংকোচন হবে যথাক্রমে ১০ শতাংশ এবং ৯.২ শতাংশ। শিল্প ক্ষেত্রে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলছে তবে এখনও বৃদ্ধি তেমন নয়। এই সমীক্ষা জানাচ্ছে, উৎসবের সময় ক্রেতাদের মধ্যে খরচেরর প্রবণতার ফলে চাহিদা বাড়ে কিন্তু সেটা যাতে বজায় থাকে সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বেশি কিছু পরিষেবা ক্ষেত্রে যেমন পর্যটন,আতিথেয়তা,বিনোদন,শিক্ষা,এবং স্বাস্থ্য ক্ষেত্র এখনও স্বাভাবিক অবস্থায় আসেনি। এই সমীক্ষা জানাচ্ছে,ত্রৈমাসিক পূর্বাভাস ইঙ্গিত দিচ্ছে জিডিপি বৃদ্ধি বদলে২০২০-২১ সালে তৃতীয় ত্রৈমাসিকেও ১.৩ শতাংশ সংকোচন।তবে চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ইতিবাচক অবস্থায় ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং তখন তা ০.৫ শতাংশ বৃদ্ধি হতে পারে তুলে ধরা হচ্ছে ।

এই সমীক্ষায় অর্থনৈতিক মানদন্ডের ক্ষেত্রে বেশ আনুমানিক হিসাব কষা হয়েছে ।তারফলে ২০২০-২১ সালে শিল্প উপাদনের সূচক আইআইপি ধরা হয়েছে (-)১০.৭ শতাংশ এবং তা সর্বাধিক এবং সর্বনিম্ন হতে পারে যথাক্রমে (-)৯.৫ থেকে (-)১২.৫শতাংশ।এই সমীক্ষায় যারা অংশ নিয়েছে তারা আশা করছেন, এবার অর্থনীতি কিছুটা ভাল পারফর্ম করবে এবং তারফলে ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ৯.৬ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধি হতে পারে।সেক্ষেত্রে এই বৃদ্ধি সর্বাধিক এবং সর্বনিম্ন হতে পারে যথাক্রমে ১২.৫ শতাংশ এবং ৭.৫ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।