নয়াদিল্লি: আইপিএলের পরেই নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়া সফর দিয়ে লকডাউন পরবর্তী সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছিলেন কোহলিরা। লকডাউন পরবর্তীতে দেশের মাটিতেও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জোড়া টেস্ট খেলে ফেলেছে পুরুষ ক্রিকেট দল। কিন্তু মহিলা ক্রিকেট দল লকডাউন পরবর্তী সময় কবে মাঠে নামবে তা জানতে মুখিয়ে ছিলেন অনুরাগীরা। অবশেষে চূড়ান্ত হল লকডাউন পরবর্তীতে হরমনপ্রীতদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার দিনক্ষণ। ঠিক এক বছর পর অর্থাৎ, আগামী ৭ মার্চ থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে হোম সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছে ভারতের মহিলা ক্রিকেট দল।

আট ম্যাচের সিরিজ খেলতে ভারতে আসছে প্রোটিয়ারা। ঘরের মাঠে পাঁচটি টি২০ এবং তিনম্যাচের ওয়ান-ডে সিরিজ খেলবে উইমেন ইন ব্লু। তবে ম্যাচগুলি কোথায় অনুষ্ঠিত হবে তা চূড়ান্ত নয় এখনও। কানপুর অথবা লখনউকে ভেন্যু হিসেবে বেছে রাখা হয়েছে বিসিসিআই’য়ের তরফ থেকে। সংবাদসংস্থা পিটিআই’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তেমনটাই জানিয়েছেন বোর্ডের এক আধিকারিক। ২২ সদস্যের একটি স্কোয়াডকে প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলার জন্য বেছে নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে এবং ম্যাচগুলি অনুষ্ঠিত হবে জৈব নিরাপত্তা বলয়ে।

ভেন্যু এবং সূচি চূড়ান্ত না হলেও দক্ষিণ আফ্রিকা মহিলা ক্রিকেট দল যে ভারতে খেলতে আসছে সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে খোদ দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটের তরফ থেকে। কোভিড পরীক্ষার পর চলতি সপ্তাহেই ভারতে আসছে সেদেশের মহিলা ক্রিকেট দল। জানিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডের এক সূত্র। ভারতে পৌঁছে দিনছয়েকের কোয়ারেন্টাইন কাটাতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলকে। টিম ইন্ডিয়ার জন্যেও বরাদ্দ একই। অর্থাৎ, ৭ মার্চ সিরিজের প্রথম ম্যাচের আগে এক সপ্তাহের অনুশীলনের সুযোগ পাবে দুই দল।

গতবছর ৮ মার্চ মেলবোর্নে টি২০ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর করোনার জেরে আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা হয়নি দেশের মহিলা ক্রিকেট দলের। কেবল গত নভেম্বরে শারজার মাটিতে উইমেন্স টি২০ চ্যালেঞ্জে অংশ নিয়েছিলেন হরমনপ্রীত-মিতালিরা। বিসিসিআই’য়ের ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘স্বল্প সময়ে ম্যাচ খেলার জন্য প্রস্তুত হওয়া ভারতীয় ক্রিকেটারদের কাছে ভীষণ চ্যালেঞ্জের। তবে সিরিজটা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্লেয়াররা অধীর অপেক্ষা করছিল এই সিরিজটার জন্য।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।