নয়াদিল্লি : সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি ৯ এমএম মেশিন পিস্তল পেতে চলেছে ভারতীয় সেনা। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার পথে আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে গেল ভারত। বৃহস্পতিবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানায় ভারতীয় সেনার হাতে আসতে চলেছে এই পিস্তল। যৌথ উদ্যোগে যা তৈরি করেছে ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ও ভারতীয় সেনা।

এই পিস্তলটি শুধু ভারতীয় সেনাই নয়, আইটিবিপি, এসএসবি, সিআরপিএফ, বিএসএফও ব্যবহার করতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। ডিআরডিওর পক্ষ থেকে এক প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে এই খবর। পরে ট্যুইট করেও মেশিন পিস্তল সম্পর্কে তথ্য দেয় ডিআরডিও।

ডিআরডিও জানায়, ৯ এমএম পিস্তল তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে বিমান তৈরি করার মানের অ্যালুমিনিয়াম। এক একটি পিস্তলের দাম ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। বিদেশে রফতানির জন্যও প্রস্তুত এই পিস্তল। এটির নিশানা অব্যর্থ। কমপ্যাক্ট পিস্তলটি ওজনে বেশ হালকা।

ডিআরডিও বিবৃতিতে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পে জোর দিয়ে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ক্ষুদ্র পদক্ষেপ হলেও এই মেশিন পিস্তল অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা নেবে সেনা বাহিনীর কাছে বলেই মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য অস্ত্র আমদানির ক্ষেত্রে বিশ্বে ভারত রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। অস্ত্র রফতানিতে ২৩ নম্বর স্থানে রয়েছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী মোদী আগামী পাঁচ বছরে প্রতিরক্ষা রফতানিতে ৫বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা রেখেছেন। তাঁর আশা ভারত আগামী পাঁচ বছরে অর্থাৎ ২০২৫ সালের মধ্যে ১.৭৫ লক্ষ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি করতে সক্ষম হবে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়ে ছিলেন ২০১৫ থেকে ২০২০-র মধ্যে তিন বাহিনীতে এরকম অন্তত সাড়ে ৩ লক্ষ টাকার অস্ত্র ও সরঞ্জাম আমদানি করা হয়েছে। এবার এই সিদ্ধান্তের পর ভারতীয় সংস্থাই ৪ লক্ষ টাকার বরাত পাবে আগামী ৬-৭ বছরে। আর্টিলারি গান, কমব্যাট হেলিকপ্টার, অ্যাসল্ট রাইফেল, কভার্ট, রাডার, সশস্ত্র গাড়ি, ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট সহ একাধিক উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন অস্ত্র এবার থেকে তৈরি হবে ভারতেই। ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তি ও নিজস্ব ডিজাইন দিয়ে সেইসব সরঞ্জাম দেশের মাটিতে তৈরি করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।